সাগর-রুনির মেঘের দু’চোখজুড়ে বইছে বৃষ্টির ধারা!


জাহাঙ্গীর আলম আকাশ ।। একের পর এক সাংবাদিক খুন হবেন। আমরা শোক প্রকাশ করবো, বিক্ষোভে অংশ নেবো। বড় বড় শোক সভা করবো। কেউ বলবো আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি। কেউ বলবো সন্ত্রাসীদের হাত যত বড়ই হোক তাদের ধরা হবে, শাস্তিও হবে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্তাব‍্যক্তিরা বলবো ঘটনার তদন্ত চলছে, এই মুহুর্তে এর বেশি কিছু বলা যাবে না। অপরাধীদের ধরার জন‍্য বিশেষ টিম মাঠে কাজ করছে। সাংবাদিক ও লেখকরা বড় বড় রিপোর্ট এবং কলাম লিখবেন। মিছিলে, সভা, সমাবেশে, বিক্ষোভে ফেটে পড়বেন সাংবাদিক-সহকর্মী বন্ধুরা। টিভি চ‍্যানেলগুলি দিনভর খবর প্রচার করবে। সংবাদপত্রগুলি শিরোনাম করবে সাংবাদিক খুনের ঘটনায়। শোকবার্তা আর শোকসভার বন‍্যায় ভেসে যাবে গণমাধ‍্যমপাড়া। কেউ কেউ বলবেন এগুলি একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। অনেকে বলবেন খুনি পেশাদার, আবার কখনও বলা হবে এটা অপেশাদার খুনির কাজ। পেশাদার হোক আর অপেশাদার হোক খুন খুনই। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাকে কেবল বিচ্ছিন্নই নয়, বলা হবে পেশাগত কারণে নয় ব‍্যক্তিগত আক্রোশ কিংবা সম্পত্তির লোভে সাংবাদিককে খুন করা হয়েছে। কেউ কেউ ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন বলে দায়-দায়িত্ব এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করবেন। আবার ক্ষমতাসীনরা বলবে ২৪ ঘন্টার মধে‍্য খুনিদের ধরা হবে। নানাভাবেই দেশে খুনির পক্ষাবলম্বন করা হবে কৌশলে নয়তো অনেকটা খোলামেলাভাবেবই। যাহোক এমনসব ইত‍্যাদি আরও কত কথা, কত ঘটনা। কিন্তু সবকিছুই থেমে যাবে একটা পর্যায়ে। যা বাংলাদেশের এক গতানুগতিক চিত্র। তবে শেষ পর্যন্ত সন্ত্রাসী, খুনি বা অপরাধীদের সতিকারের বিচার আর হয় না। ফলে অপরাধ সংঘটনে পেশাদার ও অপেশাদার সকলেই উদ্বুদ্ধ হন পরবর্তী অপরাধ ঘটানোর জন‍্য। কেন অপরাধ বাড়ছে, অপরাধীদের সুষ্ঠু বিচার হয় না কেন সেই আসল সমস‍্যার নিয়ে আলোচনা হয়ত হবে, কিন্তু কার্যকরভাবে নয়। সবকিছুই দুই ভাগে ভাগ হয়ে যাবে। একদল বলবে সরকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সম্পূর্ণ ব‍্যর্থ। আরেক দল বলবে বিরোধীদল দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছে। রাজনৈতিক ও বাণিজি‍্যকস্বার্থ এবং রাজনীতিপ্রিয় মিডিয়াও বিভক্ত হয়ে পড়বে এই দুই শিবিরে।
২০০৯ সালের জুন মাসে সাগর সরওয়ার এর সাথে জার্মানির বন শহরে দেখা হয়েছিল। তখন তিনি কাজ করতেন রেডিও জার্মান ডয়েচেভেলেতে। আমি ডয়েচেভেলে গ্লোবাল ফোরামের সম্মেলনে গিয়েছিলাম বন শহরে। তখন সাগর সরওয়ারের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়। উনি বলেছিলেন, “তুমি এসেছো শুনেছি আগেই। আজ দেখা হলো। ভালো লাগছে।” এটাই ছিল আমাদের শেষ দেখা। বাংলাদেশের প্রাচীন এবং প্রগতিশীল বাংলা দৈনিক “সংবাদ” এ আমি কাজ করতাম রাজশাহী থেকে। সাগর ঢাকায় কাজ করতেন একই পত্রিকায়। ঢাকায় গেলে উনার সঙ্গে কথা হতো। সাগরের স্ত্রী মেহেরুন রুনিও আমার পরিচিত। তিনিও একজন পেশাদার সাংবাদিক। জার্মানি থেকে দেশে ফিরে সাগর যোগ দেন মাছরাঙ্গা টিভির বার্তা সম্পাদক হিসেবে। আর এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় কাজ করা রুনি সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত এটিএন বাংলায়। উভয়ের আরেকটি পরিচয় আছে। সেটি হলো তারা স্বামী-স্ত্রী। তাদের একটা ছোট্র শিশুপুত্র আছে। নাম মেঘ। মেঘের দু’চোখজুড়ে এখন বইছে বৃষ্টির ধারা। এই বৃষ্টি কী আর কখনো কোন শান্তনাতেই থামানো যাবে? আমরা জানি না! মেঘের প্রিয় বাবা আর মাকে দুবর্ৃত্তরা পাঠিয়ে দিয়েছে এক “অচিন দেশে”। যেখানে গেলে আর কেউ ফেরে না। সাগর ও রুনিও ফিরবেন না কোনদিনও। মেঘ আর একটিবারের জন‍্যও মা কিংবা বাবা বলে কাউকে ডাকতেও পারবে না, কাছেও পাবে না। সাগর-রুনির মতো করে “বাবা সোনা” বলে মেঘকেও আর কেউ কোলে তুলে আদর-স্নেহ করবে না। কি নিয়তি এই নিষ্পাপ শিশুটির!মেঘের হৃদয়ের হাহাকার শূণ‍্যতা, কান্না কী ওই ঘাতকদের মনে বিন্দুমাত্র অনুশোচনার দাগ কাটতে সক্ষম হবে?
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ অর্থাৎ শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে এই সাংবাদিক দম্পত্তিকে হত‍্যা করা হয়। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় নিজ ফ্লাটে নৃশংসভাবে সাগর ও রুনিকে হত‍্যা করে সন্ত্রাসীরা। সকালে ঘুম থেকে উঠে মেঘ বাবা-মার মৃত দেহ দেখে প্রিয় নানীকে টেলিফোন করে। এরপরই এই বর্বর হত‍্যাকান্ড জানাজানি হয়। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর বড় বড় ব‍্যক্তি, বিরোধীদলীয় ও সরকার দলীয় নেতা, বিশ্ববিদ‍্যালয়ের উপাচার্য, সাংবাদিক নেতা ও সহকর্মীরা ছুটে যান সাগরের বাসায়। সারাদেশে সাংবাদিক সমাজ রাজপথে নেমে থাতকদের বিচারের দাবি জানাচ্ছে। যেভাবে আগে অসংখ‍্যবার একইভাবে রাজপথে নেমেছিল প্রিয় সহকর্মী সাংবাদিক বন্ধুর খুনিদের বিচারের দাবিতে। ১৯৮৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত দেশে ৩১ জন সাংবাদিক হত‍্যাকান্ডের শিকার হলেন। ২০১১ সালে রাজধানীতেই আরেক সাবাদিক ফরহাদ খাঁ এবং তাঁর স্ত্রীকেও নিজ ঘরে হত‍্যা করেছিল ঘাতকরা। সেই হত‍্যারও বিচার হয়নি। সাংবাদিক মানিক সাহা, হুমায়ুন কবির বালু, শেখ বেলালউদ্দিন, হারুন রশিদ খোকন, শামছুর রহমান কেবল, দীপংকর চক্রবত্তীর্, সাইফুল আলম মুকুল, শ.ম. আলাউদ্দীন, গৌতম দাশসহ অন‍্য সাংবাদিক হত‍্যাকান্ডেরও সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হয়নি আজও। এই সাবাদিক হত‍্যা তালিকা দিন দিন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। আমরা জানি না এই তালিকায় পরবর্তী টার্গেটে কোন সাংবাদিক বন্ধুর নামটি পড়বে! এইতো কিছুদিন আগে সাংবাদিক দীনেশ দাশ, চলচিত্রনির্মাতা তারেক মাসুদ এবং সাংবাদিক মিশুক মুনীরকে হত‍্যা করা হলো “সড়ক দূর্ঘটনা”র মাধ‍্যমে। একইভাবে সাংবাদিক বন্ধু নিখিল ভদ্রকে সারাজীবনের জন‍্য প্রতিবন্ধি করে দেয়া হলো। কিন্তু প্রতিকার কোথায়?
গতানুগতিকভাবে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া বিবৃতি দিয়েছেন এবং সাংবাদিক দম্পত্তি হত‍্যার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। এমন নিন্দা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমাবেদনা জানিয়ে হাজারো বিবৃতি আরও আসবে। প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক দম্পত্তি হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দ্রুত খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, “এই দুই প্রতিভাবান সাংবাদিকের মৃত্যুতে সাংবাদিক সমাজের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।” ক্ষমতাসীনরা এভাবেই বক্তব‍্য দিয়ে থাকেন। এটা একটা রুটিন বক্ত‍বে‍্যর মতো আর কী। কিন্তু নির্দেশ পর্যন্তই শেষ। আর কোন অগ্রগতি পরবর্তীতে হয় না। এর ভুরি ভুরি প্রমাণ আছে বাংলায়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া শোকবার্বতায় বলেন, “রাজধানীতে সাংবাদিক দম্পতির নৃশংস হত্যাকাণ্ডে আবারো প্রমাণ হলো দেশে যে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি ঘটেছে। এই হত্যাকাণ্ড সরকারের দুর্বিনিত দুঃশাসনের ফল।” একই বক্তব‍্য একই অভিযোগ আমরা বারবার শুনছি সাবেক ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রীদের কাছ থেকে। কিন্তু আমরা অবস্থার পরিবর্তন দেখতে পাই না। ঘটনা ঘটে, আর নেতা-নেত্রীদের গদবাধা বক্তব‍্য চলতেই থাকে। হত‍্যা-খুন বন্ধ হয় না। মানুষের নিরাপত্তাও বাড়ে না কখনও।
বিরোধী দল বিএনপি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত‍্যাগ দাবি করেছে। বিএনপি-জামাত জোট আমলে আওয়ামী লীগ একইভাবে একই দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু আমাদের দেশের ক্ষমতাসীন নেতা-নেত্রীদের গায়ের চামড়া “গন্ডারের চামড়া”র চেয়েও শক্ত মনে হয়! দেশ গল্লা গেলেও কেউ কখনও পদত‍্যাগ করে না এখানে। বরং নিজের দায়-দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতাই বেশি লক্ষ‍্যণীয়। কোন সভ‍্য সমাজে মানুষকে এভাবে হত‍্যা কিংবা রাষ্ট্র কখনও হত‍্যাকে সমর্থন করতে পারে না। হাসিনা খালেদা দুই নেতাই বাংলাদেশে বিনাবিচারে মানুষ হত‍্যার লাইসেন্স প্রদানকারি!
দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাল কি মন্দ সেই তর্কে না গিয়েও বলা যায় আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী, গোয়েন্দারা কী করে? এই বিশাল নিরাপত্তা খাতে জনগণের ট‍্যাক্সের কোটি কোটি টাকা ব‍্যয় হচ্ছে প্রতিবছর। সরকার র‍্যাব এবং পুলিশকে বিনাবিচারে মানুষ হত‍্যার লাইসেন্স দিয়েছে। এই সুযোগে তারা বিশেষ করে র‍্যাব যাকে তাকে ধরে হত‍্যা করছে। শত শত মানুষকে তারা হত‍্যা করেছে ২০০৪ সাল থেকে। সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসীদের দমনের নামে র‍্যাব ক্রসফায়ার নিয়েও আর্থিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দেশজুড়ে হত‍্যা-খুনের বা খুনি অপরাধীদের জন‍্য বিশেষ রুম বা জায়গা থাকলেও জায়গা নেই সততা, ন‍্যায়বোধ আর ন‍্যায়বিচারের!
সাগর-রুনির হত‍্যাকান্ডের পর সামাজিক মিডিয়ায় নিন্দা, প্রতিবাদ আর শোক প্রকাশের ঝড় উঠেছে। আমার কয়েকজন বন্ধু খুনিদের ফাঁসি দাবি করেছেন। আমি বলবো ফাঁসি নয় বিচার চাই। সব সাংবাদিক হত‍্যা-নিযর্াতনের বিচার চাই আমরা। কিন্তু বিচারটা আসবে কোথা থেকে এবং কিভাবে? সেটাই বড় প্রশ্ন। বিচার হবে তখনই যখন দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র চর্চা, সহশীল রাজনীতি এবং আইনের শাসন আসবে, বিনাবিচারে মানুষ হত‍্যা বন্ধ হবে, দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধ হবে তখনই কেবল ন‍্যায়বিচার প্রত‍্যাশা করা যায়। কাজেই শোক প্রকাশ আর দু’একটি মানববন্ধনে হত‍্যা নির্যাতন বন্ধ কিংবা ন‍্যায়বিচার পাওয়া যাবে না কোনদিনও। রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন‍্য এক গণবিপ্লব অপরিহার্য। সেটা আর বেশিদূরে নয়। কারণ একটা দেশ এভাবে চলতে পারে না, যেখানে কোন আইনের শাসন, সতি‍্যকারের গণতান্ত্রিক চর্চা এবং রাজনীতিতে সহনশীলতার বিন্দুমাত্র প্রকাশ নেই। দেশের ৯৯ শতাংশ মানুষও যদি বলেন যে দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে বা ঘটেছে। কিন্তু তারপরও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী বা সরকারপক্ষ তার বিপক্ষেই কথা বলবে। এটাই জাতির জন‍্য দুর্ভাগ‍্য। অপহরণ, গুপ্ত হত‍্যা বাড়ছ। ক্ষতিগ্রস্তরা অভিযোগ করে বলছে বারবার যে এসবের পেছনে র‍্যাবের সরাসরি হাত রয়েছে। তারপরও তারা এটা স্বীকার করতে নারাজ। তারা বলবে উদ্বিঘ্ন হবার কিছু নেই। আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণেই আছে। সবমিলিয়ে একটা মিথ‍্যা আর প্রহসনের সমাজ রাষ্ট্র জনগণের সামনে ভেসে উঠছে । মিথ‍্যা আশ্বাস কিংবা বক্তব‍্য প্রদান আর ঘটনাকে যেকোনপ্রকারে ধামাচাপা দেবার চেষ্টা থেকেই মূলত: সমাজে অস্থিরতা আর আতংক বেড়েই চলেছে। বাড়ছে ব‍্যক্তি ও গোষ্ঠী গত সংঘাত। সরকার, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আর রাজনীতিতে যতদিন সত‍্য ও ন‍্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জায়গায় না আসবে ততদিন এই সমাজ ও রাষ্ট্রে হত‍্যা-খুন, অপহরণ ও অপরাধ বেড়েই চলবে, এতে সন্দেহের কোন কারণ নেই জনমনে। আইনের দৃষ্টি যখন সমাজে সমানভাবে দেখে না, আইনের শাসন কার্যকর নেই সেখানে জনগণের ভরসা বা আশ্রয়ের জায়গাটা কোথায়?
সাগর-রুনির সন্তান মেঘ আজ কাঁদছে। জীবনভর কাঁদবে। একইভাবে মানিক সাহার সন্তান পর্শিয়া, নাতাশাও কেঁদেছে, কাঁদছে, কাঁদবে। কেবল ভাইয়ের কন‍্যা সেজুঁতিসহ আরও অনেক সাংবাদিক সন্তানের উদাহরণ দেয়া যাবে। অন‍্য আরও লাখো লাখো সন্তান কাঁদছে প্রিয় বাবাকে হারিয়ে। এই পিতাহারা সন্তানগুলির কান্না থামাবো আমরা কিসের বিনিময়ে কোন শান্তনায়? এই মতু‍্যউপত‍্যকার জন‍্য একাত্তরে মানুষ লড়েনি পশ্চিমপাকিস্তানীদের নির্যাতন, বৈষম‍্য আর অবিচারেরর বিরুদ্ধে। ছবি-ফেইসবুক থেকে নেয়া। http://www.eurobangla.org/, editor.eurobangla@yahoo.de,

Advertisements

One response to “সাগর-রুনির মেঘের দু’চোখজুড়ে বইছে বৃষ্টির ধারা!

  1. Ei deshe shotti kotha bola jabe na, manusher najjo odhikarer dabi janano jabe na emonki shustho vabe thakao jabe na, tahole ekhane manush bachbe kivabe??????

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s