‘মেঘ’ তুমি আমাদের ক্ষমা করো না, বাবা!



জাহাঙ্গীর আলম আকাশ
।। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়ে বলেছিলেন ২৪ ঘন্টার মধ্যে খুনিদের ধরতে। সেই ২৪ ঘন্টা চলে গেছে। আর বেশি কথা বলা সাহারা বলেছিলেন ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ধরা হবে। দেখা যাক এসব কথার কথা গতানুগতিকতায় পর্যবসিত হয় কিনা। আর আমাদের মিডিয়ার বন্ধুরা বলেছেন ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ধরা না হলে আন্দোলন। কিন্তু তারা প্রশ্ন করে বলেননি যে এখনও কেন ধরা হয়নি।আমরা আপনাদের খবর প্রচার বন্ধ করলাম যতক্ষণ পর্যন্ত হত্যাকারিদের ধরা হবে না।
ক্ষমতাসীনরা সব হত্যাকান্ডের পর এই মুখস্ত করা কথাগুলিই বলে থাকে। এটা নতুন কিছু নয়। বিশেষ করে আমাদের প্রধানমন্ত্রী আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, এবং পুলিশের পদস্থ কর্তারা প্রতিটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ড সংঘটিত হবার পরপরই এমন ভাষণ দিয়ে থাকেন। না এটা কোন বিশেষ দলীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিংবা পুলিশের আইজির কথা বলছি না আমরা। এটা একটা সার্বজনীন বিষয়ে পরিণত হয়েছে। বাংলার জনগণের দুর্ভাগ্য যে তাঁরা সরকার পান, কিন্তু সেই সরকার জনগণের না হয়ে নির্দিষ্ট দলীয় সরকারে পরিণত হয় এবং তাদের কল্যাণেই বেশি ত‍ৎপর থাকে, জনগণ যে দেশের মালিক সেটা তারা ভুলে যায়। অথচ সংবিধান অনুযায়ী জনগণই দেশের মালিক। দেশের মালিককে বানিয়ে দেয়া হয় চাকর আর জনগণের সেবকরা হয়ে যায় মুনিব!
এলিটবাহিনী ও পুলিশ কারণে অকারণে রাস্তায়, কর্মস্থলে, বাড়িতে সর্বত্রই সাধারণ মানুষকে মারছে। মানুষ মার খাচ্ছে। সাধারণ মানুষ সব অন্যায় অবিচার নির্যাতন হজম করছেন অসহায় হয়ে, নিরুপায় হয়ে, কারণ তাদের করার কিছুই নেই।

বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের নাতি রাকিব হোসেনকে নির্দয়ভাবে পিটিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি গত ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানী ঢাকায় ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশের পাঁচ কর্মকর্তাকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আমি বলবো না যে আদালত ঠিক করেনি। বরং এটা নিদ্বির্ধায় বলা যায় যে আদালত ১০০ ভাগ সঠিক কাজটিই করেছে। কিন্তু একটি প্রশ্ন উঠতে পারে জনমনে। সেটি হলো আদালত কি এই আদেশগুলি সাধারণ মানুষের বেলায় কখনো দেয়? মোর্দা কথা হলো দেশে আইন সমানভাবে চলে না সবার বেলায়। সমস্যাটা এখানেই। সাংবাদিক হত্যা-নির্যাতন প্রশ্নে আসা যাক। দেশে শত শত উদাহরণ আছে সাংবাদিক হত্যা-নির্যাতনের। কোন ঘটনারই কী সঠিক সুষ্ঠু ও কার্যকর তদন্ত হয়েছে? খুন বা নির্যাতনের ঘটনাগুলির পেছনে যেসব রাঘব-বোয়ালদের হাত রয়েছে তারা কী শনাক্ত হয়েছে আজও? বিচারেরর প্রশ্নটি তো সুদূর পরাহত এক আশা আমাদের মৃত্যুউপত্যকাখ্যাত সোনার বাংলাদেশে! নিশ্চয়ই বাঙালি বিস্মৃত জাতি নয়।
চট্রগ্রাম স্টেডিয়ামে প্রবীণ ফটো সাংবাদিক আলহাজ্ব জহিরুল হককে কি নিষ্ঠুর নির্দয়ভাবে পিটিয়েছিল এক পুলিশ কর্মকর্তা। তার কী কোন শাস্তি বা বিচার হয়েছে আজও? জনপ্রিয় সাংবাদিক নেতা বাংলাদেশ অবজারভার সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরীর ওপর কুষ্টিয়ায় নির্যাতনের কথাও কোন সাংবাদিক ভোলেনি। সন্ত্রাসীদের বোমার আঘাত দেশপ্রেমিক সাংবাদিক মানিক সাহার মস্তককে উড়িয়ে নিয়ে গিয়েছিল। হয়ত এখনও খুলনার সেই রাজপথে মানিক সাহার রক্তের গন্ধ পাওয়া যাবে! কী অপরাধ ছিল খুলনার আরেক জনপ্রিয় সম্পাদক হুমায়ুন কবির বালুর? যশোরের রানার সম্পাদক সাইফুল আলম মুকুলের হত্যার কী সঠিক বিচার পেয়েছেন তার পরিবার? সাংবাদিকতাজগতে তথ্যভান্ডার নামে পরিচিত শামছুর রহমান কেবলের স্ত্রী সেলিনা এবং কন্যা সেজুঁতির চোখের জলধারা কোন কিছুর বিনিময়ে কী থামানো যাবে?
সৎ সাংবাদিক দীপংকর চক্রবর্ত্তীর পরিবার এখন কিভাবে চলছে তার কী কোন খোঁজ আমরা রাখি? ফরিদপুরেরর সেই দুর্নীতিবাজ ঠিকাদার চক্র যারা গৌতম দাশকে হত্যার জন্য দায়ি তারা কী এখনও বহাল তবিয়তে নেই? ফরিদপুরের আরেক সাংবাদিক বন্ধু প্রবীর শিকদার কী কখনও আগের অবস্থানে (শারীরীক) কখনও ফিরতে পারবেন? নাকি ফেনির টিপু সুলতান কখনও ভুলতে পারবেন সেই নৃশংসতার কথা যা তার জীবনের উপর দিয়ে বয়ে গেছে? ঢাকার তরুণ সাংবাদিক এফ এম মাসুমকে কী নিষ্ঠুরভাবে পিটিয়েছিল তথাকথিত এলিট বাহিনীর জানোয়ারদল? মাসুম কী কখনও নির্যাতনকারীদের বিচার বা শাস্তি দেখার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারবেন এই বাংলায়? শেখ বেলালউদ্দীনের পরিবারকে আমরা কী দিয়ে শান্তনা দেবো? দেশটিভির সাংবাদিক গিয়াসউদ্দিনতো হয়ত এখনো সেই দু:সহ স্মৃতির কথা মনে করে ডুকরে কেঁদে ওঠেন?
তরুণ প্রতিশ্রুতিশীল সাংবাদিক নিখিল ভদ্র কী কখনও ভেবেছিলেন তাকে হাসপাতালের বেডে শুয়ে শিশু সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত হতে হবে, কিংবা অকারণেই প্রতিবন্ধি জীবনে গমন করতে হবে? সাংবাদিক দীনেশ দাশ কী আর কখনও তার প্রিয় সন্তানকে স্কুলে পৌঁছে দিতে পারবে? মিশুক মুনীরদের মতো প্রতিভাবান সাংবাদিক কী আবার জন্মাবে এই বাংলায়? তারেক মাসুদ এর মতো চলচিত্র নির্মাতাকে সোনার বাংলা কী ফিরে পাবে কখনও? যুদ্ধাপরাধবিরোধী আন্দোলনের প্রথমসারির নেতা সাংবাদিক কলামিষ্ট শাহরিয়ার কবির কী কখনও সেই ভয়াবহ নির্যাতনের দু:সহ যন্ত্রণা ভুলে গেছেন? কেন স্বপরিবারে জীবন দিতে হবে সাংবাদিক ফরহাদ খাঁকে? ভিডিও সাংবাদিক এনটিভির আতিক, এটিএনএর মিঠু, সিলেটে প্রবীন সাংবাদিক ফতেহ ওসমানীওতো এই মহাজোট সরকারের আমলেই খুন হয়েছেন। বিচার কী পেয়েছেন তাঁদের স্বজনরা।
বিএনপি-জামায়াত জোট আমলে রেডিও জার্মান ডয়েচেভেলে তৎকালিন সম্পাদক মাসকাওয়াথ আহসানকেও জঙ্গিরা হত‍্যার হুমকি দিয়েছিল। ডয়েচেভেলের বাংলাদেশ প্রতিনিধি হারুন উর রশিদকেও এই সরকারের আমলেই লাঞ্ছিত করে র্দুনীতিবাজ একটি চক্রের লোকেরা। তার কী কোন বিচার পাওয়া গেছে? সাংবাদিক তাসনীম খলিলের নিযর্াতনকারিদের কী বিচার হবে ইহজনমে? কার্টুনিষ্ট আরিফের সহকর্শিমীরা শিল্পচর্চার স্বাধীনতা কী কখনও পাবে বাংলায়? তসলিমা নাসরিনদের আর কতকাল মাতৃভূমির বাইরে থেকে স্বদেশে ফেরার আকুতি জানাতে হবে? সাংবাদিক সালিম সামাদ কিংবা এনামুল হক চৌধুরী কী এই জীবনে তাদের ওপর পরিচালিত রাষ্ট্রীয় ববর্রতার কথা কোনদিন ভুলতে পারবেন? তাদের ওপর নির্যাতনের কী বিচার আমরা পেয়েছি আজও? ঐতিহাসিক প্রফেসর মুনতাসির মামুন, কলামিষ্ট নাট্যকার অধ্যাপক মলয় ভৌমিকদের মতো দেশপ্রেমিকদেরকে সামান্য রাষ্ট্রীয় কর্মচারিদের হাতে কেন অবমাননার শিকার হতে হবে? লন্ডনস্থ বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রদূত অধ্যাপক সাইদুর রহমান, রাজশাহী বিশ্বিবদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সোবহান, দেশপ্রেমিক অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন কিংবা অধ্যাপক নিমচন্দ্র ভৌমিকদের ওপর রাষ্ট্র কেন অত্যাচার-নিপীড়ন চালাবে? অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস, অধ্যাপক এস তাহের আহমদ কিংবা অধ্যাপক আফতাবদের কারা হত্যা করেছে? প্রথাবিরোধী লেখক অধ‍্যাপক হুমায়ূন আজাদ হত‍্যার নেপথে‍্যর নায়করা কী ধরা পড়েছে? দেশপ্রেমিক অধ‍্যাপক বিশিষ্ট রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ অধ‍্যাপক সনৎ কুমার সাহা হত‍্যাপ্রচেষ্টাকারিদের কী ধরা হয়েছে আজও?
যাহোক, অনেকে আবার ফেইসবুকে সাগর-রুনির সঙ্গে তোলা আগেকার ছবি দিয়ে ভরে ফেলেছে। হয়ত এটাই তারা বোঝাতে চাইছে যে, “দেখো সাগর-রুনির সঙ্গে আমার কত ভালো সম্পর্ক ছিল”! শোকপ্রকাশ আর খুনিদের গ্রেফতার ও বিচার দাবি। যা আমরা সব হত্যাকান্ডের সময়ই বলি থাকি।অনেকে স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তা চাইছে। কিন্তু দেশে কী কেবল সাগর ও রুনিরাই অস্বাভাবিক মৃত্যুর শিকার হচ্ছেন নাকি শত শত মানুষ অস্বাভাবিকভাবে মারা পড়ছেন, কিংবা মারা হচ্ছে? বিচার ছাড়াই কোন মানুষকে হত্যা কী স্বাভাবিক মৃত্যু? এবিষয়েতো মিডিয়ার কোন চিৎকার চেচামেচি দেখা যায় না। কেন, হয়ত তারা বলবে যারা রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাতে মারা পড়ছে তারাতো “সন্ত্রাসী”! প্রকৃতঅর্থে তারা কী সবাই সন্ত্রাসী নাকি তাদের নামে সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসীর ফাইল বানিয়েও অনেককে মেরে ফেলা হচ্ছে? কাউকে অপহরণ করা হচ্ছে, এরপর লাশ মিলছে বালুচরে, নদীতে, পুকুরে কিংবা গাছের ডালে। এইতো আমার বাংলাদেশ! আসল কথা হলো কালোকে কালো আর সাদাকে সাদা বলার শক্তি নেই আমাদের মিডিয়াগুলির! আমি পুরোপুরি মিডিয়াকে দোষারোপ করতে চাই না। সব অনিয়ম অপরাধের মূলেই তো জড়িয়ে আছে দৃর্বৃত্ত রাজনীতি, বৈষম্য আর অর্থনৈতিক সংকট। সেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও বৈষম্য আর অসুস্থ রাজনীতির হাত থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে সমাজটাকে স্বাভাবিক মৃত্যুর জায়গা বানানো যাবে কী? দুর্নীতি আর অনিয়ম কোথায় নেই? সাংবাদিক হত্যা-নির্যাতনের তালিকা যত বড় তার চেয়ে বড় এই হত্যা-নির্যাতনের দায় নিয়ে প্রধান দু’টি রাজনৈতিক দলের অভিযোগ আর পাল্টা অভিযোগের তালিকা। এই দু’টি দল হত্যা নির্যাতন বন্ধ করার উপায় খোঁজার চেয়ে একে অপরকে দায়ি করার দিকেই আগ্রহী বেশি। “আমার বা আমাদের আমলে নয় উনার বা উনাদের আমলেই সাংবাদিক হত্যা নির্যাতন বেশি হয়েছে”। এই হলো খালেদা হাসিনার দর্শন। কাজেই যা হবার তাই হচ্ছে। সাংবাদিক হত্যা নির্যাতন বেড়েই চলেছে। এক্ষেত্রে কেউ যদি বলে যে, “সাংবাদিক হত্যা নির্যাতনের জন্য হাসিনা খালেদাই বেশি দায়ি তা কী খুব অসমীচীন হবে”?
এমন আরও কত ঘটনার বর্ণনা দিয়ে লেখার কলেবর বাড়ানো যাবে। সেদিকে যেতে চাই না। রাষ্ট্রীয়বাহিনীর বর্বর নির্যাতনের শিকার এক ক্ষুদে সংবাদকর্মী হিসেবে গণমাধ্যম বা সাংবাদিক সমাজের কাছে আমার একটা প্রশ্ন আছে।দেশে একের পর এক সাংবাদিক হত্যা নির্যাতন গঠেই চলেছে, কিন্তু তার কোন প্রতিকার নেই। খুনের নির্যাতেনর বিচার পাই না আমরা। কিন্তু কেন? আমরা কী আমাদের ন্যায্যতা বা অধিকারের অবস্থানটাকে সংহত করতে পেরেছি? আপনারা কী অনুগ্রহ করে বলবেন, কেন আপনারা বারবার আত্মসমর্পণ করছেন অবিচার, অত্যাচার আর নিপীড়নের কাছে? আমরা গভীরভাবে শোকাগত, সমবেদনা জানাচ্ছি, তদন্ত করুন, আমরা বিচার চাই ইত্যাদিতে কী খুন নির্যাতন বন্ধ হবে? নাকি সাংবাদিক সমাজকে দলমত ও নিজস্ব ব্যবসাপাতির উর্দ্ধে উঠে ইস্পাতসম দৃঢ় ঐক্যবদ্ধ হয়ে পেশাগত স্বাধীনতা আর সাংবাদিক তথা মানুষের জীবনের নিরাপত্তার প্রশ্নে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপনের পথে এগুতে হবে? সেই জায়গায় আমরা কতটুকু এগুনোর মানসিকতা সহনশীলতা কিংবা পেশাদারিত্বের পরিচয় রাখতে পারবো তার ওপরই নির্ভর করবে সাংবাদিক তথা মানুষের জানমালের নিরাপত্তার মতো কঠিন প্রশ্নটি। গণমাধ্যম আর গণতন্ত্র একটি আরেকটির পরিপূরক। স্বাধীন এবং নিরাপদ সাংবাদিকতা চাইলে একটা গণতান্ত্রিক সমাজ রাষ্ট্র অপরিহার্য। কাজেই গণতন্ত্র যাতে চর্চিত হয় সেই কাজটিও সাংবাদিকতার দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে, বোধকরি।
আরেকটি প্রশ্ন খালেদা ও হাসিনার কাছে। আপনারা যুদ্ধাপরাধী কিংবা স্বৈরাচারিদের সঙ্গ ত্যাগ করে ক্ষমতা বা গদি রক্ষার কিংবা ক্ষমতা বা গদিতে যাবার জন্য নয় জনগণের জন্য নয়া রাজনীতির পথ রচনা করুন। যে পথে থাকবে আইনের শাসন, গণতন্ত্রের সত্যিকারের চর্চা, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার। দেশে দুর্নীতি, দলীয়করণ, নিপীড়ন, নির্যাতন, হত্যা-খুন বন্ধ হবে না কোনদিন। যদি আপনারা দুইজন মনে প্রাণে একজন আরেকজনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, ভালবাসা, বিশ্বাস, আস্থা এবং গণতান্ত্রিক মানসিকতার পরিচয় দিতে না পারেন? নইলে পর্শিয়া কিংবা সেজুঁতিরা বাবা হারাতেই থাকবেন, আর মেঘেরা সাগর-রুনিদের হারিয়ে অমানিশার অন্ধকারে হারিয়ে যাবেন! বোধকরি এই অন্ধকার থেকে আপনারা জাতিকে আলোর পথে ফিরিয়ে আনতে এখনই এক হয়ে যুদ্ধাপরাধী আর স্বৈরাচারীদের কোল থেকে নামিয়ে জনগণের কাতারে এসে দাঁড়াবেন। নইলে গণমাধ্যম ও গণতন্ত্র কোনটাই নিরাপদ হবে না! খুনিদের বিচারও চাই না, শাস্তিও না। কারণ যেটা হবে না করা হবে না সেটা চেয়ে লাভ কী বলুন? বাবা মেঘ তুমি আমাদের ক্ষমা করো না বাবা, কখনও না! তোমার প্রিয় বাবা-মা দু’জনেই শান্তিতে থাকবে বাবা। তোমার জন‍্য আমাদের কোন দু:খ নেই কষ্টও নেই। কারণ তোমার মনের ভেতরে যে কষ্টধারা তা কী আমরা বোঝার ক্ষমতা রাখি বাবা? নাকি সেই বোধ বিচার বিবেচনা আছে আমাদের? -গুগল। http://www.eurobangla.org/, editor.eurobangla@yahoo.de,

Advertisements

2 responses to “‘মেঘ’ তুমি আমাদের ক্ষমা করো না, বাবা!

  1. Excellent articles ,

  2. ‘মেঘ’ তুমি আমাদের ক্ষমা করো না, বাবা!

মন্তব্য করুন

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s