বিব্রতবোধ সংবিধানের লংঘণ: বিচারকরা সংবিধান-আইন নাকি দলের প্রতি আনুগত্যশীল?


জাহাঙ্গীর আলম আকাশ ।। দেশের সর্বোচ্চ আদালত বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে হরতালে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আগাম জামিন আবেদন শুনানিতে বিব্রত হয়েছে।
এই বিব্রতবোধ করাটা সেখানে নতুন কোন ঘটনা নয়।বিএনপি-জামায়াতের আমলে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের জামিন আবেদনের সময়ও আদালত বিব্রত হতো। এখন আওয়ামী লীগের আমলে বিএনপি নেতাদের বেলায় তারা বিব্রত হচ্ছে।
বিচারকরা শপথ নিয়েছেন দেশের সংবিধানকে সমুন্নত রাখা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার। তারা আওয়ামী লীগের বা মহাজোট সরকারের দলীয় ক্যাডার নন যে আইন ও সংবিধানের বাইরে কোন নেতার আনুগত্য প্রকাশ করে যাবেন! বিচারকগণ বিএনপি বা জামাতেরও দলীয় ক্যাডার নন। কাজেই তারা বিব্রতবোধ করবেন কেন? বরং বিচারকগণ আইন ও সংবিধানের যে নির্দেশ আছে তা অনুসরণ করবেন সকল প্রকারের লোভ ও হালুয়া-রুটি প্রাপ্তির উর্দ্ধে ওঠে। যে আদালত বিব্রত হয় সেই আদালত দেশে রাখার দরকার কী? দেশটাকে মগের মুল্লুক বানিয়ে ফেলেছে ওরা সবাই!
বিচারকদের আচরণ এমন যেন তারা হাসিনা কিংবা মহাজোট সরকারের হুকুম তামিল করতেই বিচারকের আসনে আসীন হয়েছেন! সংবিধান ও আইন গল্লায় যায় যাক, পদ পদবি এবং ভবিষ্যতে প্রধান বিচারপতির আসনে বসার পথটাকে মসৃণ করার এখনই মোক্ষম সময়! ধিক্, ছি লজ্জায় মাথা নত হয়ে যায় জন্মেছি মোরা এমনই এক দেশে যেখানে আইন নয় দলীয় আনুগত্যটাই মুখ্য, তাও আবার যারা আইনের শাসন ও সংবিধান রক্ষার শপথ নিয়েছেন! আইন যা বলে বিচারকরা সেটাই অনুসরণ করবেন। পয়োজনে জামিন না দিয়ে জেলে পুরবেন। কিন্তু বিব্রতবোধ কেন? ছবি গুগল থেকে নেয়া।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s