প্রধানমন্ত্রি কী জানেন?


জাহাঙ্গীর আলম আকাশ ।। সাধারণ জালিয়াতি-প্রতারণা কিংবা চাঁদাবাজি। এটার সাথে সাধারণত: রাষ্ট্র বা সরকারের কোন সংশ্রব বা যোগসূত্র থাকে না। বরং রাষ্ট্র ও সরকার এসব দুবর্ৃত্তপনার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব‍্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে কঠোর হস্তে। মানুষের একটা আস্থা থাকে যে এসব অনৈতিক ও অ-আইনসম্মত বা বেআইনি কারবার বন্ধে সরকারের কাছে প্রতকার চাওয়ার। কিন্তু যখন রাষ্ট্র বা সরকারের ভেতর থেকেই এসব ঘটে তখন সাধারণ জনগণের কোন উপায় থাকে না কোথাও গিয়ে নালিশ করার। তারপরে যদি কোন সমাজে আইনের শাসন, ন‍্যায়বিচার কিংবা গণতন্ত্র এসব কিছু বাস্তবতার থেকে অনেক দূরে থাকে সেই সমাজে ভুক্তভোগী মানুষ একেবারেই অসহায়। “গণমাধ‍্যম” ও সেখানে হাত-পা ল‍্যাংড়া করে থাকে স্ব-উদ‍্যোগেই। এমন অবস্থায় চোখ বন্ধ করে, কানে তুলো দিয়ে সবকিছু মেনে নেয়া ছাড়া কোন বিকল্প থাকে না মানুষের।
আমি ভালো লিখি না। আমার লেখা পড়েন খুব অল্প সংখ‍্যক মানুষ। যা ভাবি তাই লিখি। কার পক্ষে গেলো আর কে অখুশি হলেন এমন কোন চিন্তা-ভাবনা থেকে কোন কিছু লিখি না আমি। আমি কখনই কোনদিনও ভালো কিছু লিখিনি বা লিখতে পারি না। আমার না আছে কোন সাহিত‍্য জ্ঞান, না আছে ভালো জানা-শোনা কিংবা পড়ালেখা। আমার ধর্ম মানবতা। রাজনৈতিক আদর্শ আমার সত‍্যবাদিতা, স্বচ্ছতা। কোন ব‍্যক্তি বা দলের প্রতি নেই কোন মোহ। মহান মুক্তিযুদ্ধ আমার অহংকার, স্বপ্নের সোনার বাংলা আমার প্রত‍্যাশা। ঘৃণা করি রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী আর ধর্মান্ধ-উগ্রবাদকে। ধর্ম, মত, লিঙ্গ, জাতি, বর্ণ, গোষ্ঠী এসব কিছুর উদ্ধর্ে রাখি মানুষ আর মানবতাকে। সকল প্রকার অনাচার, বৈষম‍্য, অবিচার, হত‍্যা-নির্যাতন ও অমানবিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধেই আমার লড়াই। “জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো” এই নীতি আর “সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা” এই দর্শন যার শিক্ষাটা পেয়েছি পরিবার, সমাজ আর শিক্ষালয় থেকে। দারিদ্র‍্যতা কোন সমস‍্যা নয়। অনৈতিকতা আর অবিচারের জালটা বাড়ছে ক্রমশ”। সমাজে সংকট বাড়াচ্ছে দুর্নীতি আর দুবর্ৃত্তায়ন। এই বৃত্তকে ভাঙতে চাইলে রাজনীতির ভেতরে দুবর্ৃত্তপনার যে জাল বুনেছি আমরা, তাকে ছিন্ন করা চাই-ই চাই! নইলে যত কাজই করি, যে যাই বলি না কেন কোনই লাভ নেই।
পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতির তথাকথিত অভিযোগ নিয়ে দেশ-বিদেশে ব‍্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বিশ্বব‍্যাংক এই গুরুতর অভিযোগ আনে। বিশ্বব‍্যাংক ঋণচুক্তি নবায়ন করবে না বলে বাংলাদেশকে জানিয়ে দিলো। ক্ষমতাসীন মহাজোট সরকারের প্রধান দল আওয়ামী লীগ ও গ্রামীণ ব‍্যাংক এর মুহাম্মদ ইউনুস এর মধে‍্য স্নায়ুযুদ্ধ এর আগে থেকেই চলে আসছে। অনেকে মনে করেন, শেখ হাসিনা গ্রামীণ ব‍্যাংকের ইউনুসকে ভবিষ‍্যতে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বি মনে করছেন। তাছাড়া ইউনুসের সঙ্গে আমেরিকার ভালো সম্পর্ক। এর থেকেই প্রতিহিংসার বশে হাসিনার সরকার ইউনুসকে গ্রামীণ ব‍্যাংকের নির্বাহী প্রধানের পদ থেকে সরানোর উদ‍্যোগ নেয়। তবে সরকার এধরণের অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, ইউনুস ব‍্যাংকের গঠনতন্ত্র লংঘণ করে ওই পদে ছিলেন। এই নিয়ে ইউনুস-হাসিনার দ্বন্দ্ব অনেকটা চাউর হয়ে যায় দেশে এবং বিদেশে! তবে হাসিনার সঙ্গে যে ঝামেলা বা মনোমালিণ‍্যই থাক না কেন ইউনুস সাহেব যে দেশের সবচেয়ে দরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত ও শিক্ষার অধিকারহারা নারীদের কাছে অস্বাভাবিক উচ্চহারের ঋণ ব‍্যবসা করে বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন তা কেউই অস্বীকার করবে না বলে বিশ্বাস করি! কোন কোন ক্ষেত্রে গ্রামীণ ব‍্যাংকের সুদের হার ১২৫ শতাংশ পর্যন্ত (সূত্র দৈনিক সংবাদ)। ঋণগ্রহিতা নারীদের কেউ ঋণের কোন কিস্তি পরিশোধে ব‍্যর্থ হলে তার বাড়ির ঘরের টিন খুলে নেয়া, গরু নিয়ে যাওয়ার মতো অমানবিক ঘটনাগুলিও দেশবাসি পরখ করেছেন বিভিন্ন সময়ে মিডিয়ার বদৌলতে। আবার অনেকে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে ব‍্যর্থ হয়ে আত্মহত‍্যার পথও বেছে নিয়েছেন। ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে দারিদ্র‍্য বিমোচনের মাধ‍্যমে নারীর ক্ষমতায়ন ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার তথাকথিক যুক্তিতে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয় ২০০৬ সালে। আসলে বাঙালি সমাজে কতটুকু দারিদ্র নিরসন সম্ভব হয়েছে ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্পগুলির মাধ‍্যমে সেটাই একটা বড় প্রশ্ন?
ড. ইউনুস কিংবা গ্রামীণ ব‍্যাংক লেখার বিষয়বস্তু নয়। তাই মূলবিষয়ের দিকে নজর দেয়া যাক। গত জুনের শেষে মানবাধিকারবিষয়ক অনলাইন সংবাদপত্র ইউরো বাংলা নিজেদের দখলে নেয় হ‍্যাকাররা। এর একদিন পরে সপরিবারে চলে গিয়েছিলাম গ্রীস্মকালীন অবকাশ যাপনে। অবকাশের শেষ দিনগুলিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রি তাঁর ব‍্যক্তিগত মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল গণমাধ‍্যমে প্রকাশ করেন। উদ্দেশ‍্য দেশের মানুষ যাতে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। নি:সন্দেহে একটা ভালো ও যুগোপযোগি সিদ্ধান্ত। অনেকেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে শুরু করেন। আমিও চেষ্টা করি ফোনে কথা বলার। কিন্তু কয়েকদিন যাবৎ চেষ্টা করেও আমি কানেক্ট করতে পারিনি। সবসময় ব‍্যস্ত, নতুবা রিং হয় কেউ রিসিফ করেন না…! পরে একটি ই-মেইল পাঠাই প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনার ই-মেইলে। এর কয়েকদিন পর যে জবাব এলো তা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতেই আজকের লেখার অবতারণা।
গত ১৩ জুলাই বিডিনিউজ২৪ এ প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনার টেলিফোন নম্বর ও ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশিত হয়। একইদিন আমি একটা মেইল পাঠাই উনার ই-মেইলে (sheikhhasina@hotmail.com)। এখন আমি আপনাদের সঙ্গে হুবহু শেয়ার করছি সেই মেইলটা যেটা আমি উনাকে পাঠিয়েছিলাম। Honorable Prime

Minister, Sheikh Hasina, Bangladesh,
I am Jahangir Alam Akash from Europe. I worked as a journalist for the daily Sangbad from Rajshahi. Just now I am living in exile in Europe only for the Mayor Liton, Rajshahi and RAB. But I am happy that I can write freely without any fear and I am living with security. I support your decision which you took to the Padma bridge. I have a proposal to build the Padma bridge, if you or your government could execute my proposal then it would be so easy to collect the money that need to build the bridge.
My proposal is that “Every Bengali” those living in abroad should donate at least 100 US Dollar to build the Padma bridge. You should urges to them on it. I think that it would be nice to develop or run Bangladesh by own herself.
I tried to call you, but I couldnt reached you. So I am writing you. I wish you and your government´s success!
Sincerely Yours,
Jahangir Alam Akash
Editor
Euro Bangla
Norway
Mobile: 004796989335
E-mail: jahangiralamakash@gmail.com
https://penakash.wordpress.com/
http://www.amazon.ca/Pain-Jahangir-Alam-Akash/dp/1456858025

অনেকে মনে করেন বিশ্বব‍্যাংক সাম্রাজ‍্যবাদি আমেরিকার কথায় উঠে আর বসে। মুহাম্মদ ইউনুস পেছনে থেকে আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রি হিলারিকে দিয়ে বাংলাদেশের ওপর নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করিয়েছেন বলেও অনেকের মনে একটা ধারণা জন্মেছে! আর বিশ্বব‍্যাংকতো হিলারিদেরই হাতের পুতুল। আমেরিকা যা চাইবে সেটাই ওরা করবে। সেই নিরিখে আমার মনে হয়েছে প্রধানমন্ত্রি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্ব অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণ করার তার সাথে আমি একমত। আমি এও মনে করি এরকম একটা দু’টা সেতু কা কোন ব‍্যাপারেই না, যদি দেশে বিদেশের সব বাঙালি একজোট হতে পারি এবং যার যা সামথর্‍্য আছে তা নিয়েই ঝাপিয়ে পড়তে পারি।
২৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রির ই-মেইল থেকে একটি জবাব এলো। নিচে তা হুবহু আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করছি।
Asssala mu alakum,
Dear,
Thanks for your email.
I feel so much proud on you. You have taken a remarkable decision for the people of Bangladesh.
Today I am writing to you for a important task of Padma Bridge.

You know that Padma Bridge is my first choice, I can do anything for Padma Bridge, This project is a dream of mine and all Bangladeshi.
But some people working opposite of mine and they are creating lots of problem to get loan, donation and help from Banks and general people of Bangladesh.

Now the main reason of writhing this email is that:
I have a special and personal project to construct Padma Bridge successfully. I and two of my private investigation officer ( Mahabubr Rahma & Shahinur Rahman) working with me for this project. For the betterment of this project I didn’t share with others ( My members, Media ) about this project. I am just collecting fund personally people like you. I have already collected 70% fund for this project from the people like you. I have to finish this project within next 15 days. I have a important meeting in London for this project today.

I want that you will participate in this project by donating your donation as you have told in your email. This will be very much helpful for this project If you can send your donation within this week.
I am requesting you to send your first donation to the accounts given below

1. Dutch Bangla Bank Ltd.
Account Name: MD. SHAHINUR RAHMAN
Account Number: 108101185347
Shanti nagar Branch

2. Prime Bank.Limited.
A/c name: MD.MAHABUBUR RAHMAN
A/C NO: 18621010000510
JATRABARI BRANCH
If you need any help for funding just send email given below. If you help me to complete this great project Insallah I will help you personally.
After sending your donation just send me your contact details and National Id card number to pmsheikhhasina@ymail.com
Because I will include your details to padmabridge.org ( If you want) This website will be published after finishing this project.
So, I am just waiting for your urgent response.
May Allah Bless you.
P.M. Sk. Hasina
People’s Republication of Bangladesh

এই মেইলটি পাবার পর আমি ফেইসবুকে একটা স্টাটাস লিখেছিলাম যাতে কোন সাংবাদিক বিশেষত যারা সাহসী নৈতিক শক্তি যাদের পেশার ভিত্তি তারা যোগাযোগ করবেন খবরের তথ‍্য-প্রমাণ নেবার জন‍্য। কিন্তু আমার সে আশা ব‍্যর্থ। কেউ যোগাযোগ করেনি। ফেইসবুকে যা লিখেছিলাম সেটা এখন আপনাদের সামনে হুবহু তুলে ধরছি, “প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনার ই-মেইল থেকে পদ্মা সেতু র্নিমাণের জন্য প্রবাসী বাঙালিদের কাছ থেকে টাকা পাঠাতে বলা হয়েছে দু’টি ব্যক্তিগত হিসাবে। এই চাঞ্চল্যকর খবরটি ফেইসবুকে স্টাটাস করে দিয়েছিলাম, আহবান করেছিলাম বাংলাদেশের সাহসী সাংবাদিক যাঁরা এই গুরুতর অনৈতিক কর্মটির তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করতে আগ্রহী চাইলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। ধারণা ছিল অনেকেই হয়ত চাইবেন প্রমাণটি। কিন্তু আমার আশা নিরাশার চোরাবালিতে হারিয়ে গেলো! ডান-বাম, সরকারি-বেসরকারি, ভালো-মন্দ, চাঁদাবাজ (যারা করেন, সবাইন করেন না!) কেউই বা কারও আগ্রহ নেই। কারণ বিষয়টি দেশের সরকারপ্রধানের দপ্তর থেকে হচ্ছে। ভয় আছে না! চাকরি, জান সবকিছুই চলে যেতে পারে? তাই কেউই এক টুকরো রিপোর্ট করার মতোও ইচ্ছে প্রকাশ করলো না। তাছাড়া যাদের হাতে মিডিয়া তাদের যে নিজ নিজ ব্যবসাপাতি আছে তার পাশে আছে হয় হাসিনা নয়তো খালেদার প্রতি অনুরাগ! তাই যে যা পারছেন সুবিধাবাদি, তেলবাজি, ফটকাবাজি, চাঁদাবাজি আরও যত অনাচার-অনিয়ম-দুর্নীতি আছে সবই চালিয়ে যাচ্ছে বীর বিক্রমে! তাই ভাবছি শনিবার ও রোববারের সাপ্তাহিক ছুটিতে নিজেই লিখতে বসবো। কোন মিডিয়া ছাপুক আর না ছাপুক, তাতে কার কী, অন্তত: আমার কিচ্ছু আসে যায় না? আমি আমার ব্লগে ছাপবো, বাংলা, ইংরেজী দুই ভাষাই ব্যবহার করবো। আমার কোন স্বার্থ নেই, নেই হাসিনা বা খালেদা কিংবা যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর কোন ফন্দি-ফিকির। দেশমাতা, জননীকে রক্ষায় প্রতিটি নাগরিকেরই কিছু না কিছু দায়-দায়িত্ব থাকে, সেই দায়ের যন্ত্রণা থেকেই আমি এটা করবো। বাংলাদেশের সাংবাদিকদের কাছে মিডিয়ার কাছে হয়ত এটা কোন খবরই নয়! তবে এমন কোন ঘটনা যদি ইউরোপের কোন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের দপ্তর থেকে ঘটতো তাহলে বড় বড় হেডিং হতো মিডিয়ায়-এতে কোন সন্দেহ নেই। আর এমনটি হবার কোন সম্ভাবনাও নেই। কারণ এসব দেশে গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, মানবাধিকার সবই আছে এবং বাস্তবেও তার চর্চা হয়। আর স্বদেশে এসবের অনুপস্থিতিরই প্রকাশ এমন সব চাঁদাবাজি বা অনৈতিক কর্মকান্ডের।”
আমার মনে হয়েছে প্রধানমন্ত্রির দফতরের কোন একটি চক্র এমন জালিয়াতি ও প্রতারণার সঙ্গে জড়িত। যারা প্রধানমন্ত্রির নাম ভাঙিয়ে প্রবাসীদের কাছ থেকে টাকা তোলার একটা পাঁয়তারা করছে। আমি জানি না এমন চিঠি কী আমিই পেয়েছি নাকি অন‍্য আরও অনেকে পেয়েছেন? আমার এই সন্দেহের কথাটি বাংলদেশের প্রায় সব সংবাদপত্রে জানিয়েছি। কিন্তু কেউই বিষয়টাকে গুরুত্ব দেয়নি। তাদের কাছে হয়ত এটা কোন খবরই না! আবার খবর হলেও হয়ত নানাজনের বহুরুপী স্বার্থের কাছে হারিয়েছে এর খবরত্ব! কেউ ভয়ে ছাপবে না, কেউ স্বার্থের কারণে ছাপবে না, কেউ ছাপবে না রাজনৈতিক দলবাজির কারণে। এমন আরও কত কারণ জড়িয়ে আছে এই খবর বা অখবরের পেছনে।
এখন প্রশ্ন হলো কে বা কারা প্রধানমন্ত্রির এই ই-মেইলটি ব‍্যবহার করছেন বা করে থাকেন? এটা নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনা জানেন। প্রধানমন্ত্রির ই-মেইল থেকে একজন ্রবাসীর কাছ থেকে টাকা পাঠাতে বলা হচ্ছে ব‍্যক্তিগত দু’টি ব‍্যাংক হিসাবে। কতবড় ধাপ্পাবাজি, প্রতারণা! মো. শাহিনুর রহমান ও মো. মাহবুবুর রহমান, এরা কারা? এই দুই ব‍্যক্তির ব‍্যাংক হিসাবে কেন টাকা পাঠাতে বলা হবে প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনার ই-মেইল থেকে? প্রধানমন্ত্রির ই-মেইল যেটি এখন পাবলিকলি ঘোষণা করা হয়েছে। সেই ই-মেইল থেকে কাউকে মেইল করার অর্থ হলো শেখ হাসিনা তথা প্রধানমন্ত্রির সায় আছে এবং কাকে-কেন মেইল করা হচ্ছে তা প্রধানমন্ত্রি জানবেন। এটাই স্বাভাবিক? আর দি নাও জেনে থাকেন, তবে কারা এই ই-মেইলটি ব‍্যবহার করেন বা করছেন প্রধানমন্ত্রির নামে সেটি নিশ্চয়ই উনি জানবেন। আশা করবো লেখাটি ছাপা হবার পর এই প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ব‍্যক্তিদের শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির ব‍্যবস্থা করবেন প্রধানমন্ত্রি। নতুবা এটা ধরে নেয়া যায় যে প্রধানমন্ত্রি স্বয়ং প্রতারণা ও প্রতারকদের প্রশ্রয় দিচ্ছেন!
মাননীয় প্রধানমন্ত্রির দফতর থেকে এই মেইলের বিষয়ে একটা স্বচ্ছ ব‍্যাখ‍্যা পাবো বলে প্রত‍্যাশা করি। সেই আশায় রইলাম। জবাবদিহিতায় নূ‍্যনতম বিশ্বাস বা চর্চা থাকলে নিশ্চয়ই উত্তর দেবেন প্রধানমন্ত্রির দফতর। ছবি-দ‍্য হিন্দু (গুগল থেকে নেয়া)।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s