Monthly Archives: ডিসেম্বর 2012

গণতন্ত্র: আওয়ামী লীগ স্টাইল!

al
জাহাঙ্গীর আলম আকাশ ।। আওয়ামী লীগের কাউন্সিল ও নেতা নির্বাচন নিয়ে এক নেতার মন্তব‍্য হলো “কী হবে, কী হবে না- তা আগেই নির্ধারিত ছিল। এ নিয়ে প্রত্যাশা নেই।” সূত্র বিডিনিউজ২৪। সূত্র লিখেছে, “কাউন্সিলে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন হয়নি। তা করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে।” এই হলো বাংলাদেশ ও আওয়ামী লীগের গণতন্ত্রের মডেল বা স্টাইল। সবকিছু পছন্দ, অপছন্দের ওপর মনোনীত করার গণতন্ত্র! নির্বাচন দিয়ে সরাসরি কাউন্সিলরদের ভোটে নেতা নির্বাচন করার সাহস নেই এমন এক গণতন্ত্র দেশের ১৬ কোটি মানুষের ভাগ‍্য নির্ধারণ করছে!
দেশটাকেতো বাবা নয়তো স্বামীর তালুকে পরিণত করা হয়েছে। গণতন্ত্রের নূ‍্যনতম চর্চাও সেখানে হয় না। জার্মানি, নরওয়ে বা ইউরোপ, আমেরিকার গণতন্ত্রচর্চার সঙ্গে কিঞ্চিৎ পরিচয় যাঁদের আছে তাঁরা নিশ্চয়ই আমার কথার সাথে একমত হবেন যে এই দেশগুলির গণতন্ত্রের সাথে তুলনা করলে বোঝা যায় দেখা যায় যে বাংলাদেশে কোন গণতন্ত্রই নেই! এই যে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে (সেটা বিএনপির বেলায়ও একইরকম) যেভাবে নেতা নির্বাচন করা হলো বা হবে ঠিক সেরকমই একটা গণতন্ত্র গণতন্ত্র পাতানো খেলাই দেশবাসি দেখে আসছে স্বাধীনতার পর থেকেই। দুর্নীতি, দল, নেত্রী আর ক্ষমতাই যার প্রধান নিয়ামক সেখানে গণতন্ত্র আশা করাটাও বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়। অবিচার, অন‍্যায‍্যতার জালে দেশবাসি আটকা পড়েছে।
অন্ধ রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বমূলক কর্মকান্ড ছড়িয়ে পড়েছে বিচারালয় থেকে মিডিয়াপাড়া, জনপ্রশাসন থেকে শায়ত্বশাসিত ও আধাশায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, আইনজীবী থেকে চিকিৎসক, সাংবাদিক থেকে শিক্ষক সেখানে এমন কোন পেশা নেই যে পেশা হয় আওয়ামী বা তাদের এলায়ান্স নয়তো বিএনপি বা তাদের এলায়ান্সে বিভক্ত নয়। পাখির মতো বিনাবিচারে মানুষ হত‍্যা-নির্যাতন সেখানে এখন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছে। দুর্নীতি সেখানে এখন রাষ্ট্রীয় নীতি! রাষ্ট্রীয় সমস্ত প্রতিষ্ঠান সেখানে পরাধীন, রাজনৈতিক দল যারা শাসন করে তাদের লাঠিয়াল বাহিনীর মতো কাজ করে। সমাজটাকে সততাই সবর্োৎকৃষ্ট সমস‍্যা এমনভাবে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে প্রতিদিন। মানুষের সেবা নয় ক্ষমতায় যাওয়া বা ক্ষমতাকে আঁকড়ে থাকাই যেখানে রাজনীতির মূল মর্ম সেখানে ন‍্যায়বিচার নির্বাসিত। রাজনৈতিক দুবর্ৃত্তপনার কারণেই বাড়ছে দলাদলি, সংঘাত, সহিংসতা, সাম্প্রদায়িকতা, অস্থিরতা।
গণতন্ত্রের মূল কথাই যেখানে অনে‍্যর মতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন সেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কতটুকু তা প্রশ্নসাপেক্ষ। যেই যায় লংকায় সেই হয় রাবণ এই হলো রাজনীতির দর্শন। ওখানে টাকা ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির কাছে পরাজিত সৎ ও স্বচ্ছ রাজনীতি। একমাত্র অসুস্থ‍্য রাজনীতির কারণেই সোনা বাংলা পৃথিবীতে বন‍্যা, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও দুর্নীতির দেশ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। অথচ বাংলাদেশের যে অমিত সম্ভাবনা অপ্রস্ফুটিত অবস্থায় আছে তাকে আলোতে নিয়ে আসার মতো কোন রাজনীতি সেখানে কী আছে বিশেষত যারা দেশটাকে চালাচ্ছে বিগত সাড়ে তিন দশক ধরে?
সকল সর্বনাশের মাঝেও আমি আশার আলো দেখি। এই বাংলাদেশ নয় যে বাংলাদেশের জন‍্য ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছেন দুই লাখ মা বোন সম্ভ্রম হারিয়েছেন সেই বাংলাদেশ আজ না হোক, কাল নয়তো পরশু একদিন ঠিকই পাবেন বাংলার মানুষ। ক্ষমতা ও প্রতিহিংসার রাজনীতির কবর একদিন রচিত হবেই হবে। সেটা হয়ত আমি বা আমার প্রজন্ম নয় পরবর্তী প্রজন্ম ঠিকই অবলোকন করবেন কোন এক দিন। ছবি/ডেইলি স্টার এবং গুগল থেকে সংগৃহীত।

Advertisements

ওরা কী আঙুল চুষছে?

warcriminalsin bd

জাহাঙ্গীর আলম আকাশ
।। এক সিনিয়র সাংবাদিক বন্ধু বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকল রাজনৈতিক দলের মধে‍্য ঐক‍্য কামনা করেছেন। পরোক্ষভাবে তিনি এটাই বোঝাতে চেয়েছেন যে আওয়ামী লীগ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধবিশ্বাসী রাজনৈতিক দলের কোন গত‍্যন্তর নেই। তাই সিপিবি ও বাসদকেও আওয়ামী লীগের সঙ্গে হাত মেলানো উচিৎ। ফেইসবুকে এমনই একটি স্ট‍্যাটাস দিয়েছেন সাংবাদিক প্রবীর শিকদার। এপ্রসঙ্গে নিজের অগোছালো চিন্তাগুলি নিয়ে একটা ছোট লেখা লিখতে চাইছি।
বিএনপির নেতৃত্বাধীন যুদ্ধাপরাধীদের ঘরটাতে কারা বাস করে তা আমাদের চেনা এবং জানা। কিন্তু আমরা জানি না বঙ্গবন্ধুর দল আওয়ামী লীগে কতজন জামায়াত-শিবির আছে (যারা বিশ্বজিৎ দাশদের প্রকাশে‍্য নৃশংসভাবে হত‍্যা করছে) কিংবা কিভাবে জামাতি পরিবারের সন্তান প্রতিমন্ত্রি হন হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের শেষবেলায়, কিভাবে ত‍্যাগি ও নির্বাচিতদের বাদ দেয়া হচ্ছে আওয়ামী লীগ থেকে, খোদ হাসিনাই কানকথায় বিশ্বাস করেন বেশি বেশি!!! এরকম একটি অবস্থায় কতজন খোন্দকার মোশতাক জাতির জনকের কন‍্যার প্রিয় হয়ে আছেন আর কতজন সুবিধাবাদি, ব‍্যবসায়ী যারা কোনদিন আওয়ামী লীগ করেননি বিএনপি জামাতের দুর্নীতি, দু:শাসন আর নির্যাতন-নিপীড়নে অতিষ্ঠ বাংলার সহজ সরল মানুষ বিরক্ত হয়ে থাকার কারণেই “ঝড়ে বক মরার” মতো করে যেই মনোনয়ন পেলেন সেই জিতে এলেন গত নির্বাচনে।
সময়ের ডাক অসময়ে দিলে আর আসল নকল চিনতে ভুল করলে কী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শেষ করা সম্ভব হবে? বিএনপি-জামায়াতের গুটিকতক অন্ধ সমর্থক ছাড়া গোটা জাতি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষেই আছে। তারপরও সরকার কেন এত বিলম্ব করছে বিচার ত্বরাণ্বিত করতে সেটাই বোঝা মুশকিল, কেনই বা তারা বাহাত্তরের মূল সংবিধানে পুরোপুরি ফিরে যেতে চাইছে না সেটাও অনেক প্রশ্ন জন্ম দিচ্ছে! মুক্তযুদ্ধ বা যুদ্ধাপরাধ ইসু‍্যতে জাতি যতটা (জামায়াত-শিবির ও বিএনপির জামায়াতপন্থিরা ছাড়া) ঐক‍্যবদ্ধ সাংগঠনিকভাবে আওয়ামী লীগ ততটা ঐক‍্যবদ্ধ আছে কী? জামায়াত-শিবির লবিষ্ট নিয়োগ করছে যুদ্ধাপরাধের বিচার ভন্ডুল করতে, সরকার করে কী সরকারের বা হাসিনার উপদেষ্টা ও বিভিন্ন দেশে নিয়োজিত এ‍্যাম্বাসেডররা কী আঙুল চুষছে?
ঢাকা থেকে কানসাট, টেকনাফ থেকে তেতুঁলিয়া সবখানে সকল জেলা ও উপজেলায় আওয়ামী লীগ কতটা ঐক‍্যবদ্ধ কতটা সংঘঠিত তার কী তথ‍্য জানা নেই শ্রদ্ধেয় প্রবীর শিকদারের তা বিশ্বাস করি না? কাজেই হাসিনা আগে ঘর সামলাক, দলের ভেতর থেকে সুবিধাবাদি, তোষামদকারিদের কাছ থেকে স্ব-দলকে বিমুক্ত করতে পারলে সাংগঠনিকভাবে জামায়াত-শিবিরকে মোকাবেলা করা ও যুদ্ধাপরাধের বিচার দ্রুত করতে কোন বাধা থাকবে না, ১০০ ভাগ নিশ্চিত! কারণ দেশে এখনও মুক্তিযুদ্ধপ্রেমিক এবং অসাম্প্রদায়িক মানুষের সংখ‍্যাই বেশি। আমি আশাবাদি, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে সামনে, পেছনে নয়! তবে এজন‍্য কিছুটা শুদ্ধি অভিযান চালানো দরকার আমাদের মন, মগজ ও কাজে বিশেষত: মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারি প্রধান ও বড় রাজনৈতিক দলটির দলনেতাকে সকলপ্রকারের তোষামদকারি ও সুবিধাবাদিদের কাছ থেকে সরে আসতে হবে, দলের ভেতরের ত‍্যাগি মানুষগুলিকে পদ দিয়ে না হয় নাই বা ভালোবাসলেন তিনি, কিন্তু আন্তরিকতার প্রকাশ যদি থাকে তাতেই সন্তুষ্ট উনারা কারণ যারা বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধকে সম্মান করেন তারা কখনও বিশ্বাসঘাতক হতে পারেন না। আর বঙ্গবন্ধু যেমন মোশতাককে চিনতে পারেননি (যদিও তাঁকে মোশতাক প্রশ্নে সতর্ক করেছিলেন সুহৃদদের কেউ কেউ কিন্তু বঙ্গবন্ধু তা শোনেননি বা বিশ্বাস করেননি) তেমন ভুলেরই যদি পুনরাবৃত্তি ঘটে তবে আখেরে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশই। ছবি গুগল থেকে সংগৃহীত।

জামায়াত-শিবির: কয়লা ধুলে ময়লা যায় না!

ics-ji

জাহাঙ্গীর আলম আকাশ ।। কয়লা ধুলে ময়লা যায় না। এই প্রবাদটি যেমন খাঁটি সত‍্য তেমনি জামাত ও শিবিরের চরিত্র বদল হবে না কোনদিনও। মহাজোট সরকার জামায়াত-শিবিরকে কিসের লোভে কোন স্বার্থে এখনও নিষিদ্ধ কেরনি সেটাই বড় আশ্চর্যের ব‍্যাপার। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত বাহাত্তরের মূল সংবিধানে মহাজোট সরকারের নূ‍্যনতম বিশ্বাস থাকলে তারা এতদিনে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করতো। কিন্তু তা না করে সরকার নির্বাচন কমিশনের মাধ‍্যমে এই যুদ্ধাপরাধী স্বাধীনতাবিরোধী দলটিকে রাজনৈতিকভাবে “জায়েজ” করার উদে‍্যাগ নিয়েছে।
যে দলটির প্রত‍্যক্ষ সহায়তায় ১৯৭১ সালে পাক সেনাবাহিনী ৩০ লাখ মানুষকে হত‍্যা করলো, দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম নিলো সেই দলটির প্রতি নির্বাচন কমিশনের বা মহাজোট সরকারের এতো মায়া কেন সেটা বুঝতে কষ্ট হয়! শিবিরের গুন্ডারা স্বাধীনতার পর থেকে কেবলমাত্র রাজশাহী ও চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ‍্যালয়েই শত শত ছাত্রের হাত-পায়ের রগ কেটেছে নয়তো হামলা করে পঙ্গু করে দিয়েছে। শিবিরের হামলায় নিহতের সংখ‍্যাও কম না।
যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার লক্ষে‍্য ৪ ডিসেম্বর, ২০১২ জামায়াত-শিবির গোটা বাংলাদেশজুড়ে এক তান্ডবলীলা চালালো। মুড়ি-মুরকির মতো যানবাহন ভাংচুর ও তাতে আগুন লাগালো। এর আগে থেকেই এই নরপশুর দল পুলিশবাহিনীর ওপর ধারাবাহিকভাবে হামলা চালালো। জামায়াতে ইসলামী দলের গঠনতন্ত্র সংশোধন করে ‘ইসলামী জীবনবিধান’ বাদ দিয়ে ‘গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ’ প্রতিষ্ঠা শব্দটি লাগানোর সুযোগ করে দিলো নির্বাচন কমিশন। শুধু তাই নয়, ‘ইসলামের সুবিচারপূর্ণ শাসন কায়েম’-এর পরিবর্তে ‘সুবিচারপূর্ণ শাসন কায়েম’ শব্দটিও এই ঘাতক রাজনৈতিক দলটির গঠনতন্ত্রে বসানোর ব‍্যবস্থাও করে দিলো সরকার। নির্বাচন কমিশন কেন এই যুদ্ধাপরাধী দলটিকে নানান কায়দা-কানুনের আশ্রয় নিয়ে জায়েজ করতে চাইছে? সংবিধান মতে কোন ধমর্ীয় ও সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল নিবন্ধিত হবার কোন সুযোগই যেখানে নেই সেখানে নির্বাচন কমিশন জামায়াতকে তাদের গঠনতন্ত্রের গুটিকতক শব্দ বা বাক‍্য পরিবর্তন করার ব‍্যবস্থা করে দিলেই কী দলটির সাম্প্রদায়িক চরিত্র বা যুদ্ধাপরাধের গন্ধ দূর হয়ে যাবে?
জামায়াতের সঙ্গে মার্কিন সাম্রাজ‍্যবাদের সম্পকর্ তো আর নতুন কোন ঘটনা নয়। সেই একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধেও তাদের দহরম মহরম দেখেছেন বাংলার মানুষ। আর ৪ ডিসেম্বরের হরতালকালে জামায়াত-শিবিরের গুন্ডারা “ভুলবশত” মার্কিন দুতাবাসের একটি গাড়ি ভাংচুর করে। এরই প্রেক্ষিতে ক্ষমতালোভী জামায়াত দ্রুত তাদের মুরুব্বি মার্কিন দুতাবাসের কাছে কড়জোড়ে ক্ষমা চেয়ে দু:খপ্রকাশ করেছে। এটাই শেষ নয় প্রয়োজনে জামায়াত মাকর্িন দুতাবাসকে ক্ষতিপূরণও দিতে প্রস্তুত আছে বলে বাংলাদেশের মিডিয়ায় খবর বেরিয়েছে। কিন্তু যেদেশের মাটিতে বসে রাজনীতিকরছে এই কাপুরুষের দল সেই দেশের জনগণের কাছে তারা ক্ষমা চায়নি। জামায়াত ক্ষমা চায়নি তাদের একাত্তরের কৃতকর্মের জন‍্য কিংবা গণহারে যানবাহন ভাংচুর ও জনগণের জানমালের ক্ষয়ক্ষতির জন‍্য। যেখানে এই মৌলবাদি দলটি দেশের মানুষের প্রতি নূ‍্যনতম ভালোবাসা নেই, দেশের প্রতি আনুগত‍্য নেই সেখানে কেন জামায়াতকে নিষিদ্ধ করছে না সরকার সেটাই মহাবিস্ময়কর!কেন সরকার একটা ব্রুট মেজরিটি থাকা সত্ত্বেও বাহাত্তরের মূল সংবিধানে ফিরছে না? কেন তারা একদিকে ইসলামকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম এবং অন‍্যদিকে নিজেদেরকে ধর্মনিরপেক্ষ বলে দাবি করছে?
মহাজোট সরকার যে সতি‍্য সতি‍্য ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাস করে তার প্রমাণ দিতে হবে বাহাত্তরের মূল সংবিধানে ফিরে গিয়ে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করার মধ‍্য দিয়েই। পাশাপাশি দেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর উদে‍্যাগ ও দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই কেবল দেশ থেকে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি চিরতরে বন্ধ করা সম্ভব। সরকার সেই পথে হাটবে নাকি জামায়াত-শিবির-যুদ্ধাপরাধীদের হাতে দেশটাকে তুলে দেবে তা সময়ই বলে দেবে? ছবি ডেইলি স্টার, গুগল থেকে নেয়া।