এগিয়ে যাও লাকি, প্রজন্ম তোমার সাথে!

bdmovementagainstwarcriminals
এগিয়ে যাও লাকি, প্রজন্ম তোমার সাথে!
-জাহাঙ্গীর আলম আকাশ

মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধ তুমি আমার বাবার সম্পত্তি!
তাই তোমার চেতনা কেবল আমরাই ধারণ করি।
মুক্তযুদ্ধের চেতনায় শান দেবেন যারা
তারাই আমাদের র্টাগেট।
তাই বিপ্লবী কন্যা লাকির ওপর হামলা করি
পরক্ষণেই আবার বলি
আমারও মন যেতে চায় শাহবাগে।
শুধু কী তাই,
ঘাতক-যুদ্ধাপরাধীদের সাথে র্নিবাচনি আঁতাত করি
জামাতনেত্রীর সন্তানকে বানাই প্রতিমন্ত্রি,
র্নিবাচিত নেতাকে বাদ দিয়ে সুবিধাবাদিদের বানাই নেতা
নিজ কন্যাকে বধূ সাজে পাঠাই রাজাকারের বাড়ি
শহীদ জননীর কর্ষ্টাজিত আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলি
৩০ লাখ মানুষ হত্যা আর দু’লাখ নারীর সম্ভ্রমসহানির
চেয়েও বড় আমার পরিবার
তাইতো যুদ্ধাপরাধের আগে বাবা হত্যার বিচার করি।
যুদ্ধাপরাধের বিচার করবো প্রতিশ্রতির বিনিময়ে
প্রজন্মের ভোট ঘরে তুলি।
তাই বাধ্য হয়ে যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু করি
কিন্তু ক্ষমতারোহণের চার বছরেও বিচার শেষ করিনি।
এখন সময় শেষ আসছে র্নিবাচন
যেতে হবে জনগণের কাছে আবার
চাইবো পুন:ক্ষমতারোহণের ভোট।
তাইতো চাই একটা রায়
সেটা হোক না কেন গুরু পাপে লঘু শাস্তি!
ঘাতক জামাত-শিবির ছাড়া
র্সবস্তরের মানুষ ও রাজনৈতিক দল যুদ্ধ করেছে বটে
কিন্তু নেতৃত্বটাতো এসেছে হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালি
জাতির পিতার কাছ থেকেই
আর উনিইতো আমার পিতা
সুতরাং মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বলতে
আমার দলকেই বোঝায়
আর আমার দলের নেতাদেরই তোমরা বক্তব্য দিতে দেবে না
এটা কী মেনে নেয়া যায়?
সেজন্যইতো আমার সোনার ছেলেরা
ওকে আঘাত করেছে।
দেশে আর কেউ অগ্নিকন্যার খেতাব পাক
সেটাও মেনে নিতে পারবো না
স্বীকৃত অগ্নিকন্যাওতো আছেন আমারই দলে।
আবারও শ্বরণ করিয়ে দিই
আমার দল ছাড়লে রাজাকার
কিন্তু আমার দলে আসলে সবাই মুক্তিযোদ্ধা
এই হলো আমার মূলমন্ত্র।
কেউ আমার দলে সংস্কার চাইলে
তিনি যত বড় নেতাই হোন না কেন
তার কোন দাম নেই আমার কাছে।
সোনাতো তারাই যারা তোষামদি, চাটুকারিতা
আর সুবিধাবাদিতার জাদুবিদ্যায় বিমুগ্ধ করে আমায়
তাইতো ব্যবসায়ী, টাকাওয়ালারা পায়
আমার দলের মনোনয়ন।
আমি গণতন্ত্রের মানসকন্যা
তাই অর্নিবাচিত আর মনোনীতদের দিয়ে
চালাই দেশের র্সবোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি।
বুড়ো আর অছাত্রদের বানাই আমি
আমার দলের ছাত্র সংগঠনের নেতা।
আমার সন্তান, বোন অন্য আত্মীয়
সবাই একে একে হবেন একেকজন নেতা
ধাপে ধাপে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের
নেই কোন প্রয়োজন।
বাবাই আমার দেশটাকে করেছে স্বাধীন
তাইতো ছোট্র একটা ভবনের নামকরণ
বাবার নামেই করতে নেই কোন লজ্জা আমার
কারণ কোন ভবন বা সেতুর নামকরণতো
জাতির পিতার সম্মানের চেয়েও বড় মনে হয় আমার।
জনগণ চাইছে বাহাত্তরের সংবিধানের পুন:স্থাপন
সেই সংবিধানটাওতো আমার বাবাই করেছিলেন।
বাহাত্তরের মূল সংবিধানে ফিরে গেলেতো
র্ধমভিত্তিক সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে
সেটা করলে যদি সংখ্যাগরিষ্টের ভোট হারাই
তাইতো অর্ধসমাপ্ত করে রেখেছি
বাহাত্তরের সংবিধানে পুন:প্রর্বতনের উদ্যোগ।
যেখানে একটা সাধারণ খুনের ঘটনায়
র্সবোচ্চ শাস্তি মৃতু্যদন্ড দিতে র্কাপণ্য করে না আদালত
সেখানে এতগুলি খুন ও যুদ্ধাপরাধ করেও শুধু যাবজ্জীবন
তাইতো ফুঁসে উঠেছে প্রজন্ম ও জনতা
চেতনার আন্দোলন শুধু প্রজন্ম চত্বর শাহবাগেই থেমে নেই
মুক্তির মশাল জ্বলেছে জেলায় জেলায় দেশজুড়ে।
এটাইতো একটা মওকা জনতার আন্দোলন
প্রজন্মের আন্দোলনকে নিজের ঘরে তোলার।
তাই যেভাবেই হোক আন্দোলনের নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব
আমার দলের হাতে আসা চাই, চাই-ই চাই।

বি.দ্র.: আমি কবি নই, এলোমেলো তথা নিজের মতো করে মনের ভাব প্রকাশ করি মাত্র। “এগিয়ে যাও লাকি, প্রজন্ম তোমার সাথে” লেখাটি (কবিতা কিনা জানি না) উতর্সগ করছি সময়ের সাহসী বিপ্লবী কন্যা লাকি এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া প্রজন্মকে। ছবিটি ফেইসবুক থেকে নেয়া।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s