অসহিষ্ণু গণতন্ত্র: সংলাপ ও সামরিক হস্তক্ষেপ ভাবনা!

sangbad-31-7-2009-hrc-politics

জাহাঙ্গীর আলম আকাশ ।। যেখানে গণতন্ত্র থাকে সেখানে সামরিক হস্তক্ষেপে তার ক্ষতি হয়। আর যেখানে গণতন্ত্রের নামে ব‍‍্যক্তি, দল বা বিশেষ পরিবারের শাসন চলে সেখানে সামরিক কিংবা সাম্রাজ‍্যবাদি কিংবা জঙ্গি হস্তক্ষেপ তাতে  জনগণের কী আসে যায়? সাধারণ মানুষ খালেদা-নিজামীর গণতন্ত্রের সময়ে যেমন নির্যাতিত ঠিক তেমনিভাবে হাসিনা-ইনু-মেনন-বড়ুয়াদের গণতন্ত্রের আমলেও মার খায়!

 

ফারাকতো একটা আছেই, আর তা হলো খালেদা যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে চান, হাসিনা স্বৈরাচারকে সাথে নিয়ে ক্ষমতার স্বাদ ভোগ করেন। সবার উপরে ক্ষমতা সত্য তাহার উপরে নাই! দুর্নীতি, দলীয়করণ, সংখ‍্যালঘু নির্যাতন কার আমলে ছিল না বা নেই? গণতন্ত্রটা কেবল হাসিনা খালেদা এই দুই শিবিরে বিভক্ত হয়ে তাদের স্তুতি গাওয়া নয়, গণতন্ত্র কিন্তু পরস্পরের প্রতি সহনশীলতা, সম্মান প্রদর্শনের শিক্ষা দেয়। এই শিক্ষার কী কোন চিহ্ন দেখা যায় বাংলাদেশের গণতন্ত্রে?

রেডিও র্জামান ডয়েচেভেলের এক রিপের্াটে সামরিক হস্তক্ষেপ বিষয়ে একটি রিপের্াট নিয়ে মন্তব্য জানতে চাওয়া হয়েছিল ফেইসবুকে। তারই প্রতিক্রিয়ায় উপরোল্লিখিত প্রতিক্রিয়া আমার। আজ আবার তারা লিখেছে যে,  বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সংলাপ ছাড়া সমাধান নেই৷ আপনার কি মত?

আমার মত পরিস্কার। আমি বলবো-এই সংলাপ জিনিসটা আসলে কী? বাংলাদেশে কী সংলাপ কোন শান্তি আনে, অতীতে তার কদযর্ রুপটিই বারবার ধরা পড়েছে মানুষের চোখে। ওখানে যতক্ষণ পর্যন্ত ব‍্যক্তি হাসিনা ও খালেদার মনোজগত পরিচ্ছন্ন না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত এই দুই “মহামানবী”র পক্ষে অথবা বিপক্ষে সুশিল-কুশিল সবাই বিভক্ত হয়ে থাকবে! আর যেখানে অন্ধ দলপ্রীতি, ব‍্যক্তিতন্ত্র সেখানে আর যাই হোক সংলাপে কোন সমাধান মিলবে না। সহনশীলতা ছাড়া সংলাপ সফলতায় আসে না।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s