জয় এখন জ্যোতিষী!

SWJ

জাহাঙ্গীর আকাশ ।।মা প্রধানমন্ত্রি ও দলীয় প্রধান, নানা জাতির পিতা। আর এসুবাদেই তিনি আকস্মিকভাবেই আওয়ামী লীগের নেতা তথা মুথপাত্র বনে গেলেন! না উনি আর কেউ নন, সজিব ওয়াজেদ জয়। উনার কাছে নাকি তথ্য আছে, আওয়ামী লীগ আবারও দেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসবে! এই তথ্যটা উনাকে কে দিলো, কিসের ভিত্তিতে উনি এমন আগাম বার্তা পেলেন, দেশে কী সাধারণ নির্বাচন হয়ে গেছে, যার ফলাফলের ভিত্তিতে তিনি এই তথ্যটা জাতিকে জানালেন? গায়েবি এই তথ্যতো কেবল দেশের মানুষেরই জানার কথা, অন্য কেউ না। জয় এখন জ্যোতিষীর ন্যায় আগাম সবকিছু বলে দিতে পারেন! অন্ত:ত উনার সাম্প্রতিক এক মন্তব্য তাই প্রমাণ করে!

হ‍্যাঁ, যদি ৫১ শতাংশ ভোটার উনাকে এমন দস্তখত লিখে দিয়ে থাকেন তাহলে কোন কথা নেই! তবে “নবীন ও তরুণ” এমপিদের কর্মতৎপরতা আর পুরনো ও দলে যাঁদের অবদান সেইসব তৃণমূল মানুষরা যেভাবে অভিমান করে আছেন আর সংগঠনগতভাবে দলের আজকের যে অবস্থা তাতে এমন আগবাড়িয়ে দম্ভ প্রকাশ করাকে সাধারণ ভোটাররা কিভাবে নেবেন তা বলতে পারছি না। তবে হেফাজতি ও যুদ্ধাপরাধীদের কোনপক্ষের সাথে কোনপ্রকারের নতি স্বীকার স্বাধীনতাকামি, অসাম্প্রদায়িক, মুক্তচিন্তার মানুষ বরদাশত করবে বলে আমার মনে হয় না।

সরকারের পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হতে চললো আজ অবধি একি পাবলিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপাচার্য নির্বাচন করার মতো সরকার সাহস দেখায়নি! আর সিটি নির্বাচনে যা ঘটলো তাতো আর পর্যালোচনা করে বলার দরকার আছে বলে মনে করি না। যদি আমাদের বঙ্গবন্ধুর মেয়ের ভাষণ অনুযায়ী “দুর্নীতিবাজ”রাই সিটি করপোরশেনের মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু পরাজিতরা যে ধুয়া তুলসিপাতা, অন্ত:ত দুর্নীতির ক্ষেত্রে তার প্রমাণ আমার কাছে নেই, হয়ত জনগণের কাছেই আছে। যে জাতির পিতা বাহাত্তরের সংবিধান প্রণয়ন করতে পারেন সেই পিতার মেয়ে ব্রুট মেজরিটির জনমত পেয়েও বাহাত্তরের মূল সংবিধানে ফিরে যেতে ভয় করেন এবং নিজেদের “সাম্প্্রদায়িকতা”র মানসিকতাটুকুর প্রকাশ ঘটান!

খালেদা-নিজামির গর্ভে জন্ম হওয়া এলিটবাহিনীর তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধ আজও থামালো না মহাজোট সরকার, উপরন্তু মানুষ, রাজনীতক গুম হয়ে যাচ্ছে, কোন হদিস মিলছে না! দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে এমন কাউকে আজও বরখাস্ত করার মতো সৎ মানসিকতার পরিচয় দতে পারেনি মহাজোট সরকার, বিশেষত: বঙ্গবন্ধুর মেয়ে, সরকারপ্রধান।

যত অভিযোগ, অনুরাগ, অভিমানই থাকুক, দূর থেকে সারাক্ষণের কামনা আমার স্বদেশে যেন আর কোন যুদ্ধাপরাধীর গাড়িতে জাতীয় পতাকা না উড়ায়, হেফাজতিরা যাতে দেশে শরিয়া আইনের মতো কোন অমানবিক আইন দেশের মানুষের উপর চাপিয়ে দিতে না পারে। তবেই ৩০ লাখ শহীদের আত্মা, মর্যাদা হারানো দুই লাখ মা-বোনের সম্মান রক্ষা হবে।  ছবি গুগল থেকে নেয়া।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s