Category Archives: Extra Judicial Killing

“সিনহা হত্যাকাণ্ডের বিচার আর আমার ক্ষমা”

জাহাঙ্গীর আকাশ// সমস্যার মূলে কেউই যেতে চাই না। আমার প্রশ্ন হলো- আমাদের মিডিয়া, সুশীল সমাজ আর যারা সিনহা হত্যাকাণ্ডের পর বেশ তৎপর এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে তারা কেন এমন বিচারবহির্ভূত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের পর একইভাবে ফুসে উঠে না? প্রায় প্রতিটি ক্রসফায়ারের গল্পই সাজানো নাটক এবং যেই বাহিনীর দ্বারাই ঘটুক। এই মহাসত্যটি স্বীকার করেই এমন সব হত্যাকান্ডই বন্ধ করতে হবে। নইলে এভাবে সিনহারা একের পর এক হারিয়ে যাবে একই গল্পের তলে। সিনহা হত্যার বিচার আমিও চাই। আমাকে যারা স্বদেশহারা করেছে এই তথাকথিত ক্রসফায়ার নিয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করার জন্য তাদের সবাইকে আমি ক্ষমা করে দিয়েছি। আমি জানি আমার ওপর যে বর্বরতা ও অমানবিকতা হয়েছে তার বিচার মিলবে না। প্রত্যাশা এতটুকুই যাতে আর কোন সিনহাই এভাবে নিহত না হন।

“বাঘে ছুঁলে আঠারো ঘা আর র‍্যাবে ধরলে…!”


জাহাঙ্গীর আলম আকাশ ।। বাঘে ছুঁলে আঠারো ঘা আর র‍্যাবে ধরলে মৃতু‍্য অবধারিত নয়তো পঙ্গু, কখনও গুম এবং লাশই মিলবে না কোনদিনও! ধরা পড়ার পর ওদের কাছ থেকে যারা বেঁচে ফিরে আসে তারা জগতের সবচেয়ে ভাগ্যবান!!! ওই স্বদেশে নেই কোন আইনের শাসন, ন্যায়বিচার কিংবা গণতন্ত্র বলতে যা বোঝায় সত্যিকার অর্থে তার কিছুই নেই কার্যকর। তাই যা হবার তাই হচ্ছে।
অথচ দেখুন বিডিনিউজ২৪ এ মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান সাহেব ড. মিজানের লেখায় আস্ফালন। র‍্যাব ব্যাপারে এই মানুষটি দারুণভাবে স্ববিরোধী। শেষ পর্যন্ত কলেজ ছাত্র যে কঠিন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে শিক্ষিত হয়ে বাবা-মায়ের দু:খ ঘোচাতে চেয়ছিলেন তাকে পঙ্গু করে দিলো ওরা। বিচার বহির্ভূত সেই হত্যাপ্রচেষ্টার পর মেরুদন্ডহীন কমিশনের! চেয়ারম্যান ছুটে গেলেন হাসপাতালে। সেখানে কাঁদলেন, চোখের জল মুছলেন দামী রুমাল দিয়ে। কত কথাই না তিনি বলেছিলেন সেদিন? কিন্তু সবই যেন ফাঁপা!
মিডিয়া, মানবাধিকারপাড়া এবং প্রকল্প ও ফান্ডনির্ভর মানবাধিকার নেতৃত্ব কোথাও থেকেই কারও কোন উচ্চবাচ্য নেই আজ? লিমনের বিরুদ্ধেই অভিযোগপত্র দাখিল হয়ে গেলো! অথচ ২০০৭ সালের ১৮ মে রেবের পিটুনিতে নিহত ওয়ার্কাস পার্টির নেতা মজনু শেখ রাজশাহীতে নিহত হয়েছিলেন, সেই ঘটনাটির নায়ক রেবের জামাতপন্থি কর্মকর্তা তৎকালিন মেজর বর্তমানে লে. কর্ণেল রাশিদুল হাসানসহ কয়েকজন। নিহত মজনুর ভাই পিয়ারুল রাজশাহীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় হত্যা মামলা করেছিলেন রেবের বিরুদ্ধে।
দীর্ঘ পাঁচ বছরেও সেই মামলার অভিযোগপত্র প্রস্তুত হলো না। সিএসবির রিপোর্টার হিসেবে ওই ঘটনায় একাধিক প্রতিবেদন তৈরী করেছিলাম যা সম্প্রচারিত হয়। এই ঘটনা ছাড়াও শিশুকন্যা ও স্ত্রীর সামনে নিজ শোবার ঘরে বেনজিরকে গুলি করে পঙ্গু করা, লিটনদের রাজনৈতিক সন্ত্রাস ও পারিবারিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি ও লুটপাটসহ পুঠিয়ার শিউলি ধর্ষণ ও শিউলির বাবাকে হত্যার ঘটনায় প্রতিবেদন করায় সেই রাশিদুল ও রাজশাহীর মেয়র লিটনের যৌথ ষড়যন্ত্র ও প্রতিহিংসা চরিতার্থ করেন আমাকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার ও নির্যাতন চালিয়ে। ওরা আমাকে ক্রসফায়ারে হত্যা করতে চেয়েছিল। কিন্তু ভাগ্যের জোরে আজও বেঁচে আছি!
মজনু যে পার্টি করতেন সেই পার্টির এক নেতা স্থানীয় এমপি এবং পলিটব্যুরোর সদস্য। শুনেছি মেয়র লিটন নাকি রাশীদুল ও র‍্যাবের হয়ে মজনু হত্যা মামলাটি মিটমাট করে নেবার জন্য দুতিয়ালি করছেন! আর ফজলে হোসেন বাদশার মতো একজন প্রভাবশালী নেতা ও সংসদ সদস্য থাকার পরও তাঁরই পার্টির এক নেতা মজনু যাকে অন্যায়ভাবে হত্যা করে রেব সেই মামলাটির চার্জশিট দেয় না পুলিশ। কাজেই আইনের শাসন, ন্যায়বিচার বলতে কী আর কিছু আছে জন্মভূমিতে?

বিচার বহির্ভূত হত‍্যাকান্ড ও সাংবাদিক হত‍্যা: পুরস্কারপ্রাপ্ত এক ব্লগারের মানসিকতা!


জাহাঙ্গীর আলম আকাশ ।। বাংলাদেশের কেউ কেউ সীমানা পেরিয়ে আর্ন্তজাতিক পুরস্কার পাচ্ছেন। এতে বাঙালি হিসেবে আনন্দবোধ করি বটে। কিন্তু তাদের অনেকেই সীমানা পেরিয়ে গেলেও মনের সীমাবদ্ধতার সীমানা পেরুতে পারছেন না কেন সেই প্রশ্নটি সামনে আসছে বারবার! একজন ব্লগার, না শুধু ব্লগার বললে ভুল হবে রীতিমতো নামকরা বিখ‍্যাত। হাল আমলে তিনি বিচার বহির্ভূত হত‍্যাকান্ড নিয়ে লিখতে শুরু করেছেন (সম্ভবত যদি ভুল না হয় হংকং টুরের আগে এবিষয়ে লেখালেখি শুরু করেছেন তিনি)। তাও আবার কোন পুরস্কার পাবার আশায় কিনা সেটা জানা নেই! তিনি যে সংস্থার রিপোর্টার সেই সংবাদ সংস্থার আবার পুরস্কারদাতা জার্মানির গণমাধ‍্যম প্রতিষ্ঠানটির একটা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট চুক্তি আছে। অর্থাৎ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পকর্। অন‍্যদিকে বাংলাদেশ থেকে যিনি বিচারক ছিলেন তার সঙ্গেও ওই ব্লগারের আছে মধুর সম্পর্কের। তিনি অবশ‍্য বিচার বহির্ভূত হত‍্যাকান্ডের বিরুদ্ধে কাজ করেন সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই, কোন পুরস্কার পাবার আশায় নয়।
সে যাইহোক লেখার মূল বিষয়ে আসা যাক। সেই ব্লগার কাম সাংবাদিক “Say no to extra judicial killings in Bangladesh” নামের একটি ফেইসবুক গ্রুপে সদস‍্য হবার জন‍্য আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। আমিও সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে গ্রুপে যোগ দিলাম। এরপর থেকেই মাঝে মাঝে বিচার বহির্ভূত হত‍্যাকান্ড এবং সাংবাদিক হত‍্যা-নির্যাতন বিষয়ে পোষ্ট করতে থাকি। সর্বশেষ গত ৩ মে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ‍্যম দিবসে একটা পোষ্ট করি বাংলাদেশে সাংবাদিক হত‍্যা-নির্যাতনের বিষয়ে। লেখাটির শিরোনাম ছিল “বিশ্বমুক্ত গণমাধ্যম দিবস: বাংলাদেশে বেপরোয়া সাংবাদিক হত্যা-নির্যাতন ও দায়মুক্তি”। এরপর আর ঢোকা হয়নি গ্রুপে। আজ মনে মনে একটা সিদ্ধান্ত নিলাম যে বিচার বহির্ভূত হত‍্যাকান্ড নিয়ে একটা পোষ্ট দেবো ওই গ্রুপে। সে লক্ষ্যে গ্রুপে প্রবেশ করা। সেখানে গিয়ে আশ্চযর্‍্য ও অবাক হলাম। কারণ আমি আর গ্রুপের সদস‍্য নই। কিন্তু কেন? গ্রুপের পক্ষ থেকে কেউ কোন নোটিশ কিংবা কিছুই জানায়নি আমাকে।
গণতন্ত্রের প্রথম ও প্রধান শর্তগুলির মধে‍্য সহনশীলতা অন‍্যতম। সেই সহনশীলতা ছাড়া যেমন গণতন্ত্র টেকসই হয় না, তেমনি কাউকে কোন কিছু না জানিয়ে তাকে কোন গ্রপ থেকে বাদ দেয়াটাও সভ‍্যতার সাক্ষ‍্য বহন করে না। বিচারবহির্ভূত হত‍্যাকান্ড নিয়ে গ্রুপ করে কিংবা উদ্দেশ‍্যমূলকভাবে লেখালেখি করে কোন পুরস্কার পাবার আশা আমার কোনকালেই ছিল না। আজও নেই। এপ্রসঙ্গে কিছু ব‍্যক্তিগত তথ‍্য জানিয়ে রাখা ভালো। র‍্যাব বা এলিট ফোসর্ গঠনের আগে বিএনপি-জামাত অপারেশন ক্লিনহাটর্ শুরু করে মানুষ হত‍্যা করে। ওই অপারেশনে ৫৮ জন মানুষ নিহত হয়। তখন থেকেই মূলত: আমি বিচার বহির্ভূত হত‍্যাকান্ড নিয়ে অনুসন্ধানী রিপোর্ট করতে শুরু করি। যার ধারাবাহিকতা অব‍্যাহত ছিল র‍্যাপিড একশান ব‍্যাটালিয়ন বা র‍্যাবের হাতে অন‍্যায়ভাবে গ্রেফতার ও নির্যাতনের ঘটনার আগদিন পর্যন্ত। জেল থেকে বেরিয়ে বিচার বহির্ভূত হত‍্যাকান্ড নিয়ে বইও লিখেছি (বিচার বহির্ভূত হত‍্যাকান্ড এবং প্রতিহিংসা)। এছাড়া আমার ওপর বর্বর নির্যাতনের বিষয়ে আরেকটি বই লিখি যেটি প্রকাশ করার জন‍্য বাংলাদেশের নামকরা, বিখ‍্যাত প্রকাশকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছি। কিন্তু কেউ প্রকাশ করেনি। “অন্ধকারে ১৫ ঘন্টা” নামের বইটি পরবর্তীতে বাধ‍্য হয়ে নিজেই প্রকাশক সেজে ছাপি ডানা প্রিন্টার্স থেকে।
“বিচারবহির্ভূত হত‍্যাকান্ড এবং প্রতিহিংসা”, “জঙ্গি গডফাদার ও অন‍্যান‍্য প্রসঙ্গ”, “অন্ধকারে ১৫ ঘন্টা”, “উদীচী থেকে পিলখানা” বাংলা বইগুলির ইংরেজী ভার্সন “PAIN” (http://www.amazon.ca/Pain-Jahangir-Alam-Akash/dp/1456858025) এ ছাপা হয়েছে। এই বইটি আমেরিকা থেকে প্রকাশিত হয়েছে। আমার বিশ্বাস বাংলাদেশে বিচার বহির্ভূত হত‍্যাকান্ড, সাংবাদিক হত‍্যা-নির্যাতন, আদিবাসি হত‍্যা-নির্যাতন, ধমর্ীয় সংখ‍্যালঘু হত‍্যা-নির্যাতন এবং বাংলাদেশের জন্ম ও ইতিহাস ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটা দলিল হয়ে রইবে বইটি।
২০০৪ সালে খুলনায় সাংবাদিক মানিক সাহা, হুমায়ুন কবির বালু নিহত হলেন। বগুড়ায় মার্ডার হলেন দীপংকর চক্রবত্তর্ী। সাংবাদিক হত‍্যা-নির্যাতনের বিরুদ্ধে মিছিল-সভা সমাবেশ করার জন‍্য কাউকে কাছে পাওয়া খুব সহজসাধ‍্য ছিল না। বাধ‍্য হয়ে একাই রাজপথে নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছি। ২০০৫ সালের ১৫ জানুয়ারি আমিই প্রথম দেশে বিচার বহির্ভূত হত‍্যাকান্ডের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাই।
ব‍্যক্তিগত প্রসঙ্গ নিয়ে আর লেখার কলেবর বাড়াতে চাই না। একটা কথা বলে রাখা ভালো মুক্ত গণমাধ‍্যম, গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের পক্ষে আমার অবস্থান ছিল পরিস্কার। কখনও কোন রাজনৈতিক দলের দালালি করিনি বা কারও কাছ থেকে কোন সুবিধা-উপঢৌকন গ্রহণ করিনি। কোন পুরস্কার পাবার আশায় কিংবা জার্মানি, অষ্ট্রিয়া বা ইউরোপে আসার জন‍্যও সাংবাদিকতা করিনি। যা করেছি একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছিমাত্র। পাশাপাশি একজন নাগরিক হিসেবে সমাজের প্রতি একটা দায় আছে বলে আমি মনে করি। সেই দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে মাঝে মাঝে কিছু একটা করার চেষ্টা করেছি। বহু মানুষ বিশ্রি ও অসভ‍্য ভাষায় গালমন্দ করে এবং ডাহা মিথ‍্যা ও কাল্পনিক বক্তব‍্য লিখে আমার লেখা ও পোষ্টে মন্তব‍্য করছেন, কিন্তু কারও মন্তব‍্য কোনদিন মুছে ফেলিনি। এটাইতো গণতন্ত্র। অন্যের মতামত পছন্দ নাও হতে পারে আমার। কিন্তু তার মতামতের একটা মূল‍্যতো আছেই।
পরিশেষে ওই বিখ‍্যাত ও পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্লগারের কাছে একটা প্রশ্ন রাখলাম কাউকে কোন গ্রুপের সদস‍্য হবার আমন্ত্রণ জানানোর পর আবার তার সদস‍্যপদ বিনা নোটিশেই খারিজ করে দেয়াটার কোন নৈতিকমূল‍্য বা গণতান্ত্রিক মূল‍্য আছে কিনা? ছবিটি ২০০৫ সালের ১৫ জানুয়ারি রাজশাহীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্ট থেকে তোলা। ছবিতে বিচার বহির্ভূত হত‍্যাকান্ড বন্ধ এবং সাংবাদিক হত‍্যা-নির্যাতন বন্ধ ও সকল সাংবাদিক হত‍্যা-নির্যাতনের বিচারের দাবিতে মাথায় কালোকাপড়ের টুপি পরে এবং হাত বেধে দাঁড়িয়ে আছি আমি নিজেই। র‍্যাব পরে আমাকে আমার বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে এভাবেই মাথায় কালো কাপড়ের টুপি পরিয়ে উপরে ১৫ ঘন্টা ধরে ঝুলিয়ে রেখে অমানুষিক নির্যাতন করে। জরুরি অবস্থার মধে‍্যও র‍্যাবের হত‍্যা-নির্যাতনের বিষয়ে বই লিখেছি।

Extra judicial killing is a grave human rights violation


The term “extrajudicial killing” means execution without justice. This is a grave human rights violation. It’s both a violation of Bangladesh’s constitution and of the UN’s Universal Declaration of Human Rights. But these types of killings still occur frequently in Bangladesh.

The Minister and the State for Home Affairs, the foreign Minister and the Prime Minister of Bangladesh openly support the extrajudicial killings, despite the fact that Bangladesh signed the Universal Declaration of Human Rights and the Convention Against Torture. Not only that, the Constitution of Bangladesh also safeguards the right to life.

The government of Bangladesh has been violating the Constitution and Universal Declaration of Human Rights since 2004. According to Art. 35(5) of the constitution of Bangladesh and Art. 5 of the Universal Declaration of Human Rights, “No one shall be subjected to torture or to cruel, inhuman or degrading treatment or punishment.” And according to Art. 3 of the constitution of Bangladesh, “Everyone has the right to life, liberty and security of person.” But, in practice, Bangladesh does not ensure the right to life and has not complied with the Universal Declaration of Human Rights and the constitution of Bangladesh.

We can see that state institutions such as the judiciary, the rule of law, regulations, the constitution and the national assembly have been disabled. The media’s role regarding extrajudicial killings covered up under reports of “crossfire”, “gunfights” or “encounters” is negative and constrained. The media has only been publishing the normal reports about these encounters filed by the RAB or the police themselves.

A few human rights organizations in home and abroad have long been asking the government to stop the killings, terming them “extrajudicial”. Moreover, the High Court of Bangladesh, on June 29, 2009, asked the government to explain why killing people without a trial, in the form of extrajudicial killings, is not being declared as illegal, and why measures are not being taken against the perpetrators. After this ruling, we still haven’t seen anything happen.

Extrajudicial killings continue even in violation of the High Court’s ruling. How can they continue? It’s very alarming for human rights, democracy and the right to life. And why is the High Court silent regarding this gross human rights violation?

Both governmental and nongovernmental sources have said that the death toll has reached around 400 from such extrajudicial killings – labeled as “crossfire” killings, “encounter” killings or “gunfight” killings by the Rapid Action Battalion (RAB) and the police – since January 6, 2009 when the Awami League-led government assumed office. In Bangladesh, we have a so-called democracy, but there is no rule of law. Every day sees more killings of citizens by the state machinery, killings which are both well-planned and covered up.

The government of Bangladesh has been violating the constitution and the Universal Declaration of Human Rights day after day since 2004. In 2004, the BNP-Jamaat government made a decision about extrajudicial killings and formed the RAB. According to the human rights organizations reports, from March 26, 2004 until April, 30, 2011 around 2,000 people have been killed without justice by police and RAB. Though according to the secret sources, this killings figure has already been turned over 8,000 only by RAB including secret murder and kidnapp.

The government of Bangladesh has sided with the extrajudicial killings. Prime Minister Sheikh Hasina has also said, in an indirect way, that extrajudicial killings will continue. She spoke clearly, upholding “crossfire” killings. What was said by our popular Prime Minister Sheikh Hasina in New York is very unfortunate for the rule of law, democracy, the constitution, and the Universal Declaration of Human Rights, as well as the people of Bangladesh. (For more information, go to http://www.eurobangla.org/)

Sheikh Hasina talked with journalists in New York on 27 September, 2009. Referring to “crossfire” killings at the time, she said, “I do not believe in extrajudicial killings. But if anyone launches an armed attack (against a law enforcer), then they shouldn’t be allowed to kill them like sitting ducks” (Source: Bdnews24).

In conclusion, we want to say that the reports of so-called “crossfire” killings, “encounter” killings or “gunfight” killings that are made by the RAB and the police are totally false. We believe that terrorism should never be combated or controlled through state killings. It is the establishment of the rule of law that is essential to control terrorism.